নজরবন্দি ব্যুরো: আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন! এহেন পরিস্থিতিতে রাজ্যজুড়ে একের পর এক দুর্নীতি প্রকাশ্যে আসছে! আর এই দুর্নীতি গুলির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে শাসকদলের হেভিওয়েট নেতাদের নাম! যার ফলে পঞ্চায়েতের আগেই অস্বস্তিতে পড়েছে। এরই মাঝেই গতকাল অর্থাৎ শুক্রবার ৩৬ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই শাসকদলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিরোধীরা।


চাকরি বাতিলের প্রসঙ্গে তৃণমূলকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ। শনিবার মেদিনীপুরে শাসকদলকে খোঁচা দিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, বাংলার শিক্ষা ব্যবস্থার, তা মাছের বাজারের থেকে কম কিছু নয়। আর এর জন্য দায়ী একমাত্র তৃণমূল। একটা সময় বাংলার শিক্ষা ব্যবস্থা সকলের গর্বের কারণ ছিল। বহু মহাপুরুষ জন্মেছেন এ রাজ্যে। বহুযুগ আগে থেকে বাঙালিরা তাঁদের শিক্ষার জন্য ইতিহাসের পাতায় উঠে এসেছে। আর এই এখনের একটা যুগ ইতিহাসের পাতায় কালো অধ্যায় হিসাবে পরিচিত থাকবে।”

জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে খড়গপুর শহরে চা-চক্রে যান দিলীপ ঘোষ। আর সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হন তিনি। এদিন দিলীপের কটাক্ষ করে বলেন, “বাংলায় শিক্ষাকে জলাঞ্জলি দিয়ে মূর্খ করে দেওয়ার পরিকল্পনা চলছে। শিক্ষা বিক্রি হচ্ছে। পরিযায়ী শ্রমিক তৈরি করার একটা মেশিন হচ্ছে বাংলা। প্রায় ৩৬০০ কোটি টাকা লুঠ হয়েছে। আমি আদালতের কাছে অনুরোধ করব। শুধু চাকরি বাতিল করলে হবে না, এই টাকা কাদের কাছে গিয়েছে, তাদেরও নামও সামনে আনতে হবে। তাদেরও শাস্তি প্রাপ্য। না হলে বারবার বাংলার লোক ঠকবে।”



প্রসঙ্গত, শুক্রবার ৩৬ হাজার অপ্রশিক্ষিত শিক্ষকের চাকরি বাতিল করে নজিরবিহীন নির্দেশ দিলে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। ২০১৪ সালের টেট পরীক্ষায় নিয়োগ পাওয়া ওই শিক্ষকদের আগামী চার মাসের মধ্যে চাকরি ছাড়তে হবে, এমনটাই জানিয়েছেন বিচারপতি। এর আগে কখনই নিয়োগ দুর্নীতিতে এত বিপুল পরিমাণ বাতিল হয়নি। যার জেরে নতুন করে শোরগোল ছড়িয়েছে।
পশ্চিমবাংলার শিক্ষা ব্যবস্থা এখন মাছের বাজার, শাসকদলকে কটাক্ষ দিলীপের








