ভোটের প্রথম দিনেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলল তৃণমূল কংগ্রেস। শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর মদতে ভোটারদের ভয় দেখানো এবং রিগিংয়ের অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে।
প্রথম দিন বাংলার তিন কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ। আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহার। সকাল ৯ টা পর্যন্ত প্রাপ্ত ভোটের হার ছিল ১৫%। পরের দু'ঘন্টায় অর্থাৎ বেলা ১১টা পর্যন্ত ভোটদানের হার বেড়ে হল ৩৩.৫৬%।
শীতলকুচিতে এক বিজেপি কর্মীর ওপর হাঁসুয়া দিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তাঁর হাতে ও মাথায় কোপ পড়েছে বলে অভিযোগ। পাশাপাশি, ভোট দানেও বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে বিজেপি কর্মীরা নালিশ জানিয়েছেন।
আর এদিন অধীরকে কেউ আগে থেকে না চিনলেই ধরতেই পারতেন না যে তিনি কংগ্রেস নেতা। কাস্তে-হাতুড়ি-তারার সাদা উত্তরীয় গলায় দিয়ে অধীরকে কোনও অংশেই 'কমরেড'-এর চেয়ে কম মনে হয়নি। বরং মনে হচ্ছিল তিনি যেন দীর্ঘদিন বাম আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত একজন নেতা!
আগামীকাল, শুক্রবার থেকে শুরু লোকসভা নির্বাচন। প্রথম দফায় উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়ি এই তিন কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ। এবার শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যেই রাজ্যে উপস্থিত হয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা।
একুশের বিধানসভা নির্বাচনে হরিণঘাটা থেকে জিতে বিধায়ক হন অসীম সরকার। এবারের আসন্ন লোকসভায় তাঁকে আবার পূর্ব বর্ধমানের টিকিট দিয়েছে বিজেপি। নাম ঘোষণার পর থেকেই শুরু হয় বিতর্ক। বিজেপি কর্মীদের একাংশ অসীম সরকারকে প্রার্থী হিসাবে মেনে নিতে চাননি।
বিগত কয়েকটি নির্বাচনেই দেখা গিয়েছে, কোচবিহার থেকে হিংসার খবর এসেছে। এমনকি এবারও ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশের পর থেকেই দিনহাটা, শীতলকুচি থেকে বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর আসে। সেই কারণেই ভোটের দিন সরেজমিনে কোচবিহার খতিয়ে দেখতে চেয়েছিলেন রাজ্যপাল। কিন্তু তাঁর সেই সফরে বাধা দিল কমিশন।