জ্ঞানদেব আহুজার মতে, গোহত্যার কারণেই ওয়েনাড়ে এই ব্যাপক ভূমিধস হয়েছে! তিনি বলেছেন, "২০১৮ সাল থেকে কেরলে এই ধরনের ঘটনা ঘটে চলেছে। ভারতের যেসব জায়গায় গোমাতাকে হত্যা করা হবে সেখানে এরকমই পরিস্থিতিই তৈরি হবে।"
আটকে থাকা শ্রমিকদের বেশির ভাগই আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, দুই মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদ ও বীরভূমের বাসিন্দা বলা জানিয়েছেন রাজ্যের শ্রমমন্ত্রী মলয় ঘটক। এদিকে, লাগাতার বৃষ্টি এবং ধসের কারণে ওয়ানাড়ের একাধিক সেতু এবং রাস্তা ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। ফলে বিপদগ্রস্ত এলাকাগুলোতে পৌঁছতেই পারছে না উদ্ধারকারী দল।
বুধবারই ওয়েনাড়ে পৌঁছতে চেয়েছিলেন রাহুল এবং প্রিয়ঙ্কা। কিন্তু বিপর্যয়স্থলে হেলিকপ্টার নামানো সম্ভব ছিল না বলে বৃহস্পতিবার সেখানে পৌঁছলেন দু'জন। এদিন ধ্বংসস্তূপ ঘুরে দেখার পাশাপাশি ত্রাণ শিবিরে যান রাহুল এবং প্রিয়াঙ্কা। সেখানে অসহায় পরিবারগুলির সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা। প্রিয়াঙ্কা আলাদা করে যান হাসপাতালে। আশ্বাস দেন সবরকম সহযোগিতা করার।
ভয়াবহ ভূমিধসে বিপর্যস্ত কেরলের ওয়েনাড়। সেই পরিস্থিতি নিয়ে দুঃখপ্রকাশ করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের দুই রাজ্যসভার সাংসদ সুস্মিতা দেব ও সাকেত গোখলেকে ঘটনাস্থলে পাঠাবেন বলেও ঘোষণা করেছেন তিনি।
ভূমিধসের কারণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২৭৬। নিখোঁজ শতাধিক। আহত প্রচুর। একের পর এক গ্রাম জলের নীচে তলিয়ে গিয়েছে। এই মুহূর্তে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে চলছে উদ্ধারকাজ।
কেরলের ওয়েনাড়ে ভয়াবহ ভূমিধস। এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১৫৮ জনের। আহতের সংখ্যা প্রচুর। নিখোঁজ অন্তত শতাধিক। এইরকম পরিস্থিতিতে সেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের সঙ্গে কার্যত মনোমালিন্য শুরু হল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের।