ভূমিধসে বিপর্যস্ত ওয়েনাড়, তৃণমূলের দুই সৈনিককে কেরল পাঠাচ্ছেন মমতা

ওয়েনাড়ের পরিস্থিতি নিয়ে দুঃখপ্রকাশ করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের দুই রাজ্যসভার সাংসদ সুস্মিতা দেব ও সাকেত গোখলেকে ঘটনাস্থলে পাঠাবেন বলেও ঘোষণা করেছেন তিনি।

বিজ্ঞাপন
নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

ভয়াবহ ভূমিধসে বিপর্যস্ত কেরলের ওয়েনাড়। ঈশ্বরের আপন দেশেই আজ ধ্বংসের প্রলাপ! ভূমিধসের কারণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩০২। নিখোঁজ শতাধিক। আহত প্রচুর। একের পর এক গ্রাম জলের নীচে তলিয়ে গিয়েছে। এই মুহূর্তে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে চলছে উদ্ধারকাজ। এবার ওয়েনাড়ের এই পরিস্থিতি নিয়ে দুঃখপ্রকাশ করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের দুই রাজ্যসভার সাংসদ সুস্মিতা দেব ও সাকেত গোখলেকে ঘটনাস্থলে পাঠাবেন বলেও ঘোষণা করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার নিজের এক্স হ্যান্ডেলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, “কেরলের ওয়েনাড় ভূমিধসের খবরে আমরা খুবই উদ্বিগ্ন। এটা সত্যিই একটি মারাত্মক বিপর্যয়। মানবিক কারণে, আমরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনের জন্য আমাদের দুই সাংসদ সাকেত গোখলে এবং সুস্মিতা দেবকে সেখানে পাঠাচ্ছি। তাঁরা দু’দিন থাকবেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে সর্বাত্মক সাহায্য করবেন। আমি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই।”

লোকে বলে কেরল ঈশ্বরের আপন দেশ। কারণ, ভগবান নাকি কেরলকে খুব যত্ন করে সাজিয়েছেন! ধ্বংসস্তূপে পরিণত ওয়েনাড়। চেনা ছবিটাই বদলে গিয়েছে। রাস্তা দিয়ে বয়ে চলেছে নদী। অস্থায়ী ব্রিজ তৈরি করে চলছে উদ্ধারকাজ। সেনাবাহিনীর কর্মী, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ), কেরলের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের কর্মী, রাষ্ট্রীয় জরুরি পরিষেবার কর্মী এবং সেখানের সাধারণ মানুষ উদ্ধারের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

পশ্চিমঘাট পর্বতের পাশের চারটি গ্রাম কার্যত নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। বাড়িঘর, কফির বাগান হাজার হাজার টন পাথর এবং কাদার স্তূপের নীচে। স্থানীয় চার্চ, স্কুল-কলেজের যা অবশিষ্ট আছে, সেই সব কিছুকেই ব্যবহার করা হচ্ছে দুর্গতদের আশ্রয়স্থল এবং চিকিৎসার জন্য। কাদামাটি সরিয়ে চলছে প্রাণের কাজ। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

বিজ্ঞাপন

আরও খবর