ভয়াবহ ভূমিধসে বিপর্যস্ত কেরলের ওয়েনাড়। লোকে বলে কেরল ঈশ্বরের আপন দেশ। কারণ, ভগবান নাকি কেরলকে খুব যত্ন করে সাজিয়েছেন! সেই ঈশ্বরের আপন দেশেই আজ ধ্বংসের প্রলাপ। ভূমিধসের কারণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২৭৬। নিখোঁজ শতাধিক। আহত প্রচুর। একের পর এক গ্রাম জলের নীচে তলিয়ে গিয়েছে। এই মুহূর্তে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে চলছে উদ্ধারকাজ।
ধ্বংসস্তূপে পরিণত ওয়েনাড়। চেনা ছবিটাই বদলে গিয়েছে। রাস্তা দিয়ে বয়ে চলেছে নদী। অস্থায়ী ব্রিজ তৈরি করে চলছে উদ্ধারকাজ। সেনাবাহিনীর কর্মী, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ), কেরলের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের কর্মী, রাষ্ট্রীয় জরুরি পরিষেবার কর্মী এবং সেখানের সাধারণ মানুষ উদ্ধারের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।


পশ্চিমঘাট পর্বতের পাশের চারটি গ্রাম কার্যত নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। বাড়িঘর, কফির বাগান হাজার হাজার টন পাথর এবং কাদার স্তূপের নীচে। স্থানীয় চার্চ, স্কুল-কলেজের যা অবশিষ্ট আছে, সেই সব কিছুকেই ব্যবহার করা হচ্ছে দুর্গতদের আশ্রয়স্থল এবং চিকিৎসার জন্য। কাদামাটি সরিয়ে চলছে প্রাণের কাজ। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
এই ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মধ্যেও শুরু হয়েছে রাজনীতি। বুধবার সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, কেরল সরকারকে আগে থেকে সতর্ক করে কেন্দ্র সরকার। তা সত্ত্বেও নাকি সরকার বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়নি। পাল্টা শাহের দাবিকে খারিজ করেছেন সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। তিনি বলেছেন, কেন্দ্রের তরফে সতর্ক করা হয়নি। কেবল কমলা সতর্কতার কথা বলা হয়েছিল। সেখানে বৃষ্টি হয়েছে ৫০০ মিলিমিটারের বেশি।







