ফের পাহাড়ে রুদ্ররূপ প্রকৃতির, মেঘভাঙা বৃষ্টি হিমাচলে, মৃত ২

বিজ্ঞাপন
নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

কেরলের ওয়েনাড়ে কার্যত ধ্বংসলীলা চালিয়েছে প্রকৃতি। বিপর্যয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৫০ ছাড়িয়েছে। এরই মধ্যে ফের প্রকৃতির রুদ্ররূপ হিমাচল প্রদেশ ও কেদারনাথে। বৃহস্পতিবার হিমাচল প্রদেশের মান্ডির থালতুখড় এলাকায় ভোরে মেঘভাঙা বৃষ্টি (Cloudy Rain) তে বিপর্যস্ত এলাকা। সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, ঘটনায় অন্তত ৯ জন নিখোঁজ বলে জানা যাচ্ছে। মৃত্যু হয়েছে দুই জনের। পাশাপাশি শিমলা জেলার রামপুরের কাছে সামেজখড় এলাকাতেও মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে নিখোঁজ অন্তত ১৯ জন। তাঁদের খোঁজে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে। শিমলার ডেপুটি কমিশনার অনুপম কাশ্যপ জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই দুর্ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা দলকে উদ্ধার অভিযানে নামানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ভোরের মেঘ ভাঙা বৃষ্টি (Cloudy Rain)তে হিমাচলের শিমলা, মান্ডি-সহ একাধিক অঞ্চলে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও জানা যায়নি। তবে প্রাথমিক ভাবে স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার গভীর রাতে কুলুতে একটি বাড়ি ভেঙে পার্বতী নদীর জলে ভেসে গিয়েছে। হিমাচল প্রদেশের আবহাওয়া দফতর থেকে ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার কিন্নর, লাহুল ও স্পিতি ছাড়া বাকি সব জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে। শিমলা, কুলু, সোলান, সিরমোর ও কিন্নর জেলায় হড়পা বান ও ধস নামার সম্ভাবনার বিষয়েও সতর্ক করেছে আবহাওয়া দফতর।ো

এবিষয়ে হিমাচলের মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুখুর সঙ্গে কথা বলেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নড্ডা। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পরিস্থিতির খোঁজখবর নিয়েছেন এবং কেন্দ্রের তরফে প্রয়োজনীয় সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতি জয়রাম ঠাকুরের সঙ্গেও  এবিষয়ে কথা হয়েছে বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে বুধবার উত্তরাখণ্ডের কেদারনাথে নামল মেঘ ভাঙা বৃষ্টি। লাগাতার বৃষ্টিতে কার্যত ধুয়ে-মুছে গিয়েছে ৩০ মিটার দীর্ঘ রাস্তা। পাহাড়েও নেমেছে ধস। এর জেরে প্রায় ২০০-র কাছাকাছি পর্যটক কেদারনাথে আটকে পড়েছেন বলেই জানা গিয়েছে। এদিকে হু হু করে বাড়ছে মন্দাকিনী নদীর জলস্তর। ফলে বিপদের আশঙ্কা আরও বাড়ছে।

বুধবার প্রথমে উত্তরাখণ্ডের তেহরিতে মেঘ ভাঙা বৃষ্টি (Cloudy Rain) র খবর মেলে। মুষলধারে ওই বৃষ্টিতে ধসে যায় একটি হোটেল। মৃত্যু হয় দুই পর্যটকের। মেঘ ভাঙা বৃষ্টি নামতেই প্রশাসনের তরফে হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, ভারী বৃষ্টির জেরে আনুমানিক ১৪০ থেকে ১৬০ জন পুণ্যার্থী কেদারনাথের পথে আটকে থাকতে পারেন। তাদের দ্রুত উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

বিজ্ঞাপন

আরও খবর