ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে কাশ্মীর ইস্যুতে উত্তেজনা অব্যাহত। তবে ভারত স্পষ্ট করে বলেছে, কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদ ও মিথ্যা প্রচারের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দিয়েছে।
উদ্ধার করে সেনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। জম্মু ও কাশ্মীর অঞ্চলে জঙ্গিদের অনুপ্রবেশের ঘটনা বাড়তে থাকায়, নিরাপত্তা বাহিনী অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করছে। সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষের তীব্রতা দিন দিন বাড়ছে, যা উপত্যকার পরিস্থিতিকে আরও বিপজ্জনক করে তুলছে।
বর্তমান সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে কাশ্মীরে অনুপ্রবেশ বন্ধ করা। ভারতীয় সেনাবাহিনী ও সন্ত্রাসবিরোধী নীতি শক্তিশালী হওয়ায় কাশ্মীরে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ অনেকটাই দমন করা সম্ভব হয়েছে। তবে, ভূস্বর্গে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ প্রতিরোধে আরও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও জানিয়েছেন যে সন্ত্রাসবাদীদের উপর নজরদারি বজায় রাখতে প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। বর্তমানে এই অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে। এবিষয়ে জম্মুতে সেনার মুখপাত্র জানিয়েছেন, এই অভিযান সাফল্যের পথে এগোচ্ছে। ওই অঞ্চল থেকে জঙ্গিদের নিকেশ করার প্রক্রিয়া চলছে।
১৯৭১ সালের আগে 'বাংলাদেশ'-এর কোনও অস্তিত্ব ছিল না। ২০১০ সালে বান্ডিপুরা জেলা প্রশাসনের তরফে এই গ্রামটিকে মর্যাদা দেওয়া হয়। বর্তমানে এটি একটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে জনপ্রিয়।
সিদ্ধান্তের মৃত্যুতে শোকজ্ঞাপন করে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টুইটারে লিখেছেন, কাশ্মীরে নিহত পাঁচ জওয়ানের মধ্যে একজন দার্জিলিং বিজনবাড়ির পঁচিশ বছরের সিদ্ধান্ত ছেত্রী। দেশের সুরক্ষায় একজন জওয়ানের প্রাণ বিসর্জন হয়েছে তা কখনওই ভোলা যাবে না।"
বিলাওয়াল ভারতে আসার আগে টুইটারে ভিডিও বার্তা দিয়ে জানিয়েছিলেন, পাকিস্তানের জন্য এসসিও কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা আমার উপস্থিতি বুঝিয়ে দিচ্ছে। বন্ধুসম দেশগুলির বিদেশমন্ত্রীদের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনার আশা করছি।” বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, পাক বিদেশমন্ত্রীর এই ভারত সফর বেশ গুরুত্বপূর্ণ! দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কথা চিন্তা করেই বাধ্যবাধকতার খাতিরেই বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির এই ভারত সফর বলে ধারণা।