বিবাহবিচ্ছেদের মতো গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পর্শকাতর ইস্যু নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করা অবশ্যই এক জটিল সামাজিক সমস্যা। কঙ্গনা রানাওয়াতের মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে, তবে এই ধরনের বক্তব্য কি পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলছে? সমাজে এই ধরনের ইস্যুতে আরও সংবেদনশীলতা প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কঙ্গনা জানিয়েছিলেন, তিনি তাঁর সিনেমার কোনও দৃশ্যে কাটছাঁট করবেন না এবং ঠিক যেমনভাবে গল্প সাজিয়েছেন, তেমনভাবেই সিনেমাটা দর্শকদের কাছে পরিবেশন করতে চান।
বলে রাহুল গান্ধীকে কটাক্ষ করেছিলেন। আর এবার সেই কটাক্ষের কারণেই ফের আইনি বিপাকে বিজেপির নবনির্বাচিত মান্ডির সংসদ কঙ্গনা। তবে এই মানহালির মামলা নিয়ে এখনো পর্যন্ত নিজে থেকে কোন বিবৃতি দেননি কঙ্গনা।
প্রসঙ্গত, হিমাচলেরই কন্যা কঙ্গনাকে এ বার মণ্ডী লোকসভা আসন থেকে প্রার্থী করেছিল বিজেপি। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন হিমাচলের ছ’বারের কংগ্রেস মুখ্যমন্ত্রী প্রয়াত বীরভদ্র সিংহের পুত্র তথা সে রাজ্যের কংগ্রেস সরকারের মন্ত্রী বিক্রমাদিত্য। ৭৪৭৫৫ ভোটে জয়ী হন কঙ্গনা।
এবার আজ স্পিকার নির্বাচনের দিনও ধরা পড়ল কঙ্গনা-চিরাগের বিশেষ রসায়ন। চিরাগ জানিয়েছেন এক সময়ের তাঁর নায়িকা এবার সাংসদ হিসাবেও নতুন অধ্যায়ে পাশে পেয়েছেন।
কঙ্গনা রানাউত বরাবরই প্রকাশ্যে বিজেপির দিকে নিজের সমর্থন ব্যক্ত করে এসেছেন। তাঁর মুখে একাধিকবার নরেন্দ্র মোদীর প্রশংসা শোনা গিয়েছে। গত জানুয়ারি মাসে অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধনের সময় কঙ্গনাকে সক্রিয় ভূমিকায় দেখা গিয়েছিল।