যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রমৃত্যুর ঘটনা একাধিক প্রশ্নের সামনে দাঁড় করিয়েছে রাজ্যের প্রথম সারির ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষকে। হস্টেলে র্যাগিংয়ের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে তৃণমূলপন্থী শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মচারী ও ছাত্রছাত্রীরা বিক্ষোভে নামলেন। অরবিন্দ ভবনের সামনে থেকে কালো পতাকা নিয়ে বিচারের দাবি জানাচ্ছেন তাঁরা।
যাদবপুরকাণ্ডে প্রথম বর্ষের পড়ুয়ার মৃত্যু রহস্য ক্রমেই যেন আরও ঘনীভূত হচ্ছে। তল্লাশি চালিয়ে হস্টেল থেকে একটি ডায়েরি উদ্ধার হয়েছে। তার পাতায় লেখা একটি চিঠি ঘিরে বাড়ছে জল্পনা। চিঠিটি কী স্বপ্নদীপ কুণ্ডু লিখেছিল নাকি 'সিনিয়র দাদা'রাই এই কাজ করেছে। বেশ কিছু প্রশ্ন উঠছে যেগুলির দ্রুত সমাধান প্রয়োজন।
মৃত্যুকালে স্বপ্নদীপ কুণ্ডুর বয়স হয়েছিল, ১৭ বছর ৯ মাস ৯ দিন। অর্থাৎ, সে প্রাপ্তবয়স্ক ছিল না। সেই কারণেই স্বপ্নদীপের মৃত্যুকে পকসো আইনের আওতায় আনার দাবি জানালেন শিশু সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারপার্সন অনন্যা চক্রবর্তী। রবিবার তিনি নদীয়ায় স্বপ্নদীপের বাড়িতে গিয়ে তাঁর বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করলেন। একই সঙ্গে অপ্রাপ্তবয়স্ক স্বপ্নদীপের নাম আর উল্লেখ না করার জন্য অনুরোধও করেছেন অনন্যা।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পূর্ণ ‘কন্ট্রোল’ নাকি বাম ছাত্র সংগঠন এসএফআইয়ের (SFI) হাতে, অন্যান্য ছাত্র সংগঠনের পক্ষে সেখানে নিজেদের দাবিকে প্রতিষ্ঠা করা কার্যত অসম্ভব। এমনই অভিযোগ বিজেপির ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (সংক্ষেপে, ABVP)।