ধূপগুড়ি ব্লকের বারঘরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বিস্তীর্ণ এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রচুর বাড়ি। কারও বাড়ির চাল উড়ে গিয়েছে, আবার কাঁচা বাড়ি ভেঙে গিয়ে আশ্রয়হীন হয়েছেন বহু মানুষ। ঝড়ের দাপটে ঘর ভেঙে অসুস্থ হয়ে হাসপাতলেও চিকিৎসা করাতে গিয়েছেন অনেকেই। কালবৈশাখীর তাণ্ডবে শুক্রবার রাতে মালদহে আম চাষেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে৷ গাছ থেকে প্রচুর কাঁচা আম ঝরে পড়েছে৷
সোমবার ভোরে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে মারা যায় শ্লীলতাহানির শিকার অগ্নিদগ্ধ নাবালিকা। শ্লীলতাহানির পর হুমকির মুখে পড়ে গত ১৪ এপ্রিল গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিল সে। টানা ১২ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই চালিয়ে সোমবার ভোরে তার মৃত্যু হয়। রাতে তার দেহ ময়নাগুড়ি ধর্মপুর এলাকার একটি শ্মশানে দাহ করা হয়।
১৫ বছর পর ফিরে পেলেন বাবাকে, ভবঘুরেদের চিকিৎসা করাতে গিয়ে ঘটল মিরাকেল। কথায় আছে রাখে হরি তো মারে কে? এমনই এক মিরাকেল ঘটল হাওড়াতে। দেখতে-দেখতে কেটে গিয়েছিল পনেরোটা বছর। কিন্তু হদিশ মেলেনি কোনও। আর কোনও দিন বাবাকে ফিরে পাবেন বলেও আশা করেননি ছেলে। কিন্তু অদৃষ্টের লেখা হয়ত অন্য কথাই বলছিল। প্রায় পনেরো বছর পর বাবাকে ফিরে পেল সন্তান সহ গোটা পরিবার।
ব্যাঙ্কের কাজে যোগদান হয়েছে দুই দিন। দুই দিন পরেই উদ্ধার হল ব্যাঙ্ক কর্মীর মৃতদেহ। মৃতের নাম লিটন সেন। ১৯ বছর বয়সী ওই যুবক জলপাইগুড়ি সেন পাড়া এলাকার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে।