নজরবন্দি ব্যুরোঃ স্কুলে নেই শিক্ষক। শিক্ষকের অভাবে বন্ধের মুখে স্কুল। ছাত্রদের পড়াশুনা চলবে কীভাবে? স্কুলমুখী পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ কী হবে? তাই স্কুলের ছাত্রদের পঠনপাঠনের দায়িত্ব নিলেন ওই স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র। ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জের পুটিমারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।


করোনার কারণে এমনিতেই দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ রয়েছে স্কুলের পঠনপাঠন। তার ওপর সরকারের তরফে নতুন করে নিয়োগের ঘোষণা করা হয়নি। ছাত্রদের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই হাল ধরলেন স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষক সুবীর ভদ্র।

তিনি জানিয়েছেন, দিনের পর দিন স্কুলে এসেও পড়াশোনা করতে পারছে না ছাত্ররা। ছাত্রদের পরিবারের অবস্থাও ভালো নয়।তাই আমি দায়িত্ব নিলাম। স্কুল সম্পাদক ভবতোষ চক্রবর্তী জানিয়েছেন, পর্ষদের কাছে আবেদন করেছি অনেকবার। এখনও শিক্ষক পাইনি।ছাত্রছাত্রীদের বাবা মায়েরা অনুরোধ করছেন অন্তত একজন শিক্ষক আনতে। দেখছি কি করতে পারা যায়।
একাধিক মামলা চলার কারণে শিক্ষক নিয়োগ করা সম্ভব হচ্ছে না। বারবার একথা বলতে শোনা যাচ্ছে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। শুধুমাত্র জলপাইগুড়ি নয়, শিক্ষক না থাকার কারণে বন্ধের মুখে রাজ্যের একাধিক স্কুল। কোথাও শিক্ষকের জন্য বন্ধ হয়েছে, আবার কোথাও পড়ুয়া না থাকার কারণে তালা পড়েছে স্কুলগুলিতে।


শিক্ষকের অভাবে বন্ধের মুখে স্কুল, দীর্ঘদিন ধরে অচলাবস্থা

সম্প্রতি একটি রিপোর্টে দেখা গেছে গত ১০ বছরে বন্ধ হয়েছে রাজ্যের ৭ হাজারের বেশী প্রাইমারী স্কুল। যেখানে সর্বাধিক স্কুল বন্ধ হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলায়। হাজারের বেশী স্কুল বন্ধ হয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে। বারবার সরকারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।








