নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্য জুড়ে স্কুলে গরমের ছুটি ঘোষণার সিদ্ধান্তকে কার্যত চ্যালেঞ্জ জানালো জলপাইগুড়ি জেলার প্রকৃতি। বৃষ্টির সঙ্গে হিমেল হাওয়া চলছে প্রায় গোটা জেলা জুড়ে। শুক্রবার রাত থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত জলপাইগুড়ি তে বৃষ্টি হয়েছে ২৮.০৬ মিলিমিটার। যার জেরে তাপমাত্রা অনেকটাই নেমে যাওয়ায় গায়ে সোয়েটার গায়ে জড়িয়ে এ দিন সকালে স্কুলে এলো প্রাথমিকের পড়ুয়ারা।
আরও পড়ুনঃ স্কুল শিক্ষায় বেলাগাম দুর্নীতি, হাল ফেরাতে নজিরবিহীন উদ্যোগ ব্রাত্যর


আবহাওয়ার গতিপ্রকৃতি দেখে অভিভাবকরাও বলছেন, এই পরিস্থিতিতে ছুটি পরে দিলেই ভালো৷ শুক্রবার রাত থেকেই জলপাইগুড়ি সহ বিভিন্ন এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি শুরু হয়েছে। শনিবার সকালেও যা অব্যাহত। শুধু জলপাইগুড়ি শহর নয়, ডুয়ার্স জুড়েও শুক্রবার রাত জুড়ে দুর্যোগ চলেছে৷ বৃষ্টির সঙ্গে চলেছে কালবৈশাখী ঝড়ও৷

ধূপগুড়ি ব্লকের বারঘরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বিস্তীর্ণ এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রচুর বাড়ি। কারও বাড়ির চাল উড়ে গিয়েছে, আবার কাঁচা বাড়ি ভেঙে গিয়ে আশ্রয়হীন হয়েছেন বহু মানুষ। ঝড়ের দাপটে ঘর ভেঙে অসুস্থ হয়ে হাসপাতলেও চিকিৎসা করাতে গিয়েছেন অনেকেই। কালবৈশাখীর তাণ্ডবে শুক্রবার রাতে মালদহে আম চাষেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে৷ গাছ থেকে প্রচুর কাঁচা আম ঝরে পড়েছে৷
উত্তরবঙ্গ জুড়ে গত কয়েকদিন ধরেই টানা বৃষ্টি চলছিল উত্তরবঙ্গের উপরের দিকের জেলাগুলিতে৷ শুক্রবার রাতে জলপাইগুড়ি, দুই দিনাজপুরের মতো জেলাগুলিতেও দুর্যোগ শুরু হয়৷ এ দিন সকাল থেকে স্বস্তিতে শিলিগুড়ির বাসিন্দারাও৷ গতকাল রাতে ঝড় বৃষ্টির পর আজ সকাল থেকেই বৃষ্টি চলছে শিলিগুড়িতে। আকাশ কালো মেঘে ঢাকা। পাহাড়ের মুখও ভার। মেঘ আর কুয়াশায় মোড়া পাহাড়। সূর্যের দেখা নেই। তাপমাত্রার পারদও নেমেছে দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ে৷


এক রাতেই বদলে গেল আবহাওয়া, গরমের ছুটির আগেই সোয়েটার পরে স্কুলে

প্রসঙ্গত, মূলত দক্ষিণবঙ্গ এবং উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলায় প্রবল গরমের জেরে গরমের ছুটি এগিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য সরকার৷ মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী, ২ মে থেকেই গরমের ছুটি পড়ে যাবে রাজ্য সরকারি স্কুলগুলিতে৷







