সারা বছর জুড়ে টিকিটের প্রবল চাহিদার জেরে পূর্ব রেলওয়ে স্থায়ী ভিত্তিতে একাধিক এক্সপ্রেস ট্রেনগুলিতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এবং স্লিপার ক্লাস কোচগুলির সঙ্গে সাধারণ দ্বিতীয় শ্রেণীর কোচ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় রেল।
ওই নিয়ম নজরে রেখেই পর্যবেক্ষণ রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, নিয়মের তোয়াক্কা না করে দ্রুত গতিতে মালগাড়ি চালানো হয়েছিল। এর ভিত্তিতেই দায়ী করা হয়েছে মালগাড়ির চালক, সহকারী চালক ও গার্ডকে।
কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের সঙ্গে মালগাড়ির সংঘর্ষের ঘটনায় উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ আগেই দিয়েছে রেল। উত্তর-পূর্ব রেলের মুখ্য সুরক্ষা কমিশনার জনক কুমার গর্গের তত্ত্বাবধানে এই তদন্ত হবে।
তবে এখনও পর্যন্ত হাওড়া-গুয়াহাটি রুটে কবচ ব্যবস্থা চালু করা যায়নি। তাই প্রশ্ন উঠছে যে অ্যান্টি কলিশন ডিভাইস থাকলে হয়তো এত গুলো মানুষের প্রাণ অকালে ঝড়ে যেতনা। আর এখানেই বিরোধীরা প্রশ্ন তুলছেন রেলের যাত্রী নিরাপত্তা নিয়ে।
আর এই সবের মধ্যে হারিয়ে যাচ্ছে রাজধানী বা শতাব্দী এক্সপ্রেস ট্রেন গুলি। সূত্রের খবর, আপাতভাবে শতাব্দী এক্সপ্রেসের পরিবর্তেই বন্দে ভারত চলতে পারে। তবে রাজধানী এক্সপ্রেসকে সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
হাওড়া থেকে মুম্বাইয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল ট্রেনটি। হঠাৎ একটি কামড়া থেকে বেড়তে থাকে আগুন। মুহূর্তে তা ছড়িয়ে পরে বাকি কামড়াগুলিতে। বর্তমানে দমকলবাহিনী আগুন নেভানোর চেষ্টা করছে। এখনও অবধি কোনও হতাহতের খবর মেলেনি।