নিয়ম অমান্য করে দ্রুত গতিতে মালগাড়ি চালানোর জন্যই কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের সঙ্গে দুর্ঘটনা ঘটেছে! যৌথ পর্যবেক্ষণ রিপোর্টে তেমনটাই দাবি করা হয়েছে বলে জানা গেল রেল সূত্রে। ওই পর্যবেক্ষণ রিপোর্টে দুর্ঘটনার জন্য দায়ী করা হয়েছে মালগাড়ির মৃত চালক অনিল কুমার, জখম সহকারী চালক মনু কুমার এবং ট্রেন ম্যানেজার (গার্ড) ভবেশকুমার শর্মাকে।
আরও পড়ুনঃ কথা রাখলেন মমতা, সরকারি কর্মচারীদের অ্যাকাউন্টে অতিরিক্ত DA পাঠাল নবান্ন



বলা হয়েছে, স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল ব্যবস্থা খারাপ থাকলে যে নিয়ম মেনে ট্রেন চালানো উচিত, তা মানেননি তাঁরা। একই সঙ্গে নিয়মের বাইরে বেরিয়ে অতিরিক্ত গতিতে মালগাড়ি চালিয়েছেন।সোমবার এনজেপি থেকে বের হওয়ার পরে রাঙাপানি স্টেশনের কাছে কাঞ্চনজঙ্ঘা ট্রেনের দুর্ঘটনা ঘটে। পেছন থেকে এসে ধাক্কা দেয় মালগাড়ি। এই দুর্ঘটনার জন্য প্রাথমিকভাবে মালগাড়ির চালক মৃত অনিল কুমারকেই দায়ী করেছে রেল।
মালগাড়ি চালক সিগনাল না মানার জন্যই এই দুর্ঘটনা বলে দাবি রেলের। দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন চালক অনিল কুমার। এদিকে দুর্ঘটনার পরেই লোকো পাইলটের ঘাটতি সংক্রান্ত বিষয়টি নিয়ে ফের নাড়াচাড়া করা হচ্ছে। তবে পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে দ্রুত লোকো পাইলট নিয়োগের উপর জোর দিচ্ছে রেল। তবে প্রশ্ন উঠছে শুধু মালগাড়ির চালকের উপর দায় চাপানো কতটা যুক্তিযুক্ত তা নিয়ে প্রশ্নটা থেকেই গিয়েছে।


সব দোষ মালগাড়ির চালকের, রেলের পর্যবেক্ষণে দায়ী মৃত ড্রাইভার

একাধিক সিগন্যাল খারাপ থাকলে স্টেটশমাস্টার যখন চালক এবং গার্ডকে ট্রেন চালানোর অনুমতি দেবেন কাগুজে পদ্ধতিতে, তখন ট্রেনের গতিবেগ যেন কোনও ভাবেই ঘণ্টায় ১৫ কিলোমিটারের বেশি না হয়। রেলের ওই সূত্রের দাবি, ওই নিয়ম নজরে রেখেই পর্যবেক্ষণ রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, নিয়মের তোয়াক্কা না করে দ্রুত গতিতে মালগাড়ি চালানো হয়েছিল। এর ভিত্তিতেই দায়ী করা হয়েছে মালগাড়ির চালক, সহকারী চালক ও গার্ডকে।







