সমস্ত প্রস্তুতি শেষ করে বৃহস্পতিবার সকালে বাংলাদেশ থেকে ইলিশভর্তি ট্রাক রওনা দেবে পেট্রাপোল সীমান্তের দিকে। সন্ধ্যাতেই ইলিশ কলকাতায় পৌঁছে যাওয়ার কথা। শুক্রবার থেকেই রাজ্যের খুচরো মাছবাজারে মিলবে বাংলাদেশি ইলিশ।
ইলিশ মাছের আমদানি করে আপাতত ঝামেলার মধ্যে যেতে চাই না আমরা বর্তমানে ভারতীয় ইলিশের চাহিদাও খারাপ নয় তাই আপাতত ভারতীয়দের এপার বাংলার ইলিশ খেয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হবে। বলছেন ব্যবসায়ীরা
হার্ট থেকে ফুসফুস সবই ভাল রাখে ইলিশ। মাছের রাণী ইলিশ খেলে ভাল থাকে শরীরের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হার্ট। হয়তো সেই কারনেও এই মাছকে হৃদয়ে রাখে বাঙালি। এই মাছে থাকে প্রচুর পরিমাণ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, যা কোলেস্টরেল বাড়তে দেয়না একেবারেই।
ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন চেয়ে ১০০ টি প্রতিষ্ঠান অনুমোদন চেয়েছিল। তবে বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রক পশ্চিমবঙ্গে ইলিশ রপ্তানির জন্য ৯৬ টি প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি দিয়েছে। প্রত্যেক ব্যবসায়ী নির্দিষ্ট পরিমাণ ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন পাবেন।
ইলিশ প্রধানত বাংলাদেশের পদ্মা (গঙ্গার কিছু অংশ), মেঘনা (ব্রহ্মপুত্রের কিছু অংশ) এবং গোদাবরী নদীতে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। এর মাঝে পদ্মার ইলিশের স্বাদ সবচেয়ে ভালো বলে ধরা হয়। ভারতের রূপনারায়ণ নদী, গঙ্গা, গোদাবরী নদীর ইলিশ তাদের সুস্বাদু ডিমের জন্য বিখ্যাত।
এবারই প্রশ্ন কত দাম হতে পারে এই ইলিশের? মধ্যবিত্তের নাগালের মধ্যে কী থাকবে? সূত্রের খবর, এবার মোটামুটি ভালো সাইজের পদ্মার ইলিশের দাম ১০০০-১২০০ টাকার মধ্যে ঘোরাফেরা করতে পারে। সেক্ষেত্রে পুজোর চারদিনের মধ্যে একদিন আম বাঙালির পাতে পড়তে পারে লোভনীয় ইলিশ।
জানা গেছে, বঙ্গোপসাগরের কেঁদো দ্বীপের থেকে ১০-১২ কিমি দূরে হঠাৎই উল্টে যায় ওই ট্রলারটি। ওই ট্রলারে ছিল অন্তত ১৭-১৮ জন মৎস্যজীবী। যদিও এখনও কাউকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। সবাই বেঁচে আছে না মারা গেছেন তাও খবর পৌঁছায়নি। উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে। প্রশাসন, কোস্ট গার্ডের রক্ষীরা মিলে সমুদ্রে উদ্ধার চালাচ্ছে।