চার্জশিটে আগেই নাম ছিল রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। কিন্তু পার্থ চট্টোপাধ্যায় যেহেতু মন্ত্রী ছিলেন, আর মন্ত্রীকে শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল। তাই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের চার্জশিটে নাম দেওয়ার বা গ্রেফতারির ক্ষেত্রে রাজ্যপালের অনুমতির প্রয়োজন হয়। সেই কারণে যখন নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থর নামে চার্জশিট পেশ করা হয়েছিল আগেই। সেই সময়েই রাজ্যপালের কাছে অনুমোদন চেয়েছিল সিবিআই।
"রাজভবন থেকে মেসেজ করে রেজিস্ট্রারদের বৈঠকে আসার জন্য নিষেধ করা হয়েছে।" শুক্রবার বিস্ফোরক অভিযোগ করেলন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর। জানা যাচ্ছে, আজ, শুক্রবার শিক্ষামন্ত্রীর ডাকা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মাত্র ১২ জন রেজিস্ট্রার। যেখানে শিক্ষামন্ত্রীর ডাকা বৈঠকে গরহাজির ১৯ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার। তাহলে কেন বাকি রেজিস্ট্রাররা এলেন না? এই প্রসঙ্গেই রাজ্যপালকে নিশানা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী! আজ, শুক্রবার ব্রাত্য বসু রাজ্যপালকে নিশানা করে প্রশ্ন করে বলেন, "হাড়হিম করা ঠান্ডা সন্ত্রাস কে তৈরি করছে?"
তুঙ্গে রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত! এহেন আবহেই রাজ্যের ১৬ টি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ করলেন রাজ্যপাল। জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে যেই সব বিশ্ববিদ্যালয় গুলি উপাচার্যহীন হয়ে ছিল, এবার সেইসব বিশ্ববিদ্যালয় গুলির জন্য রবিবার রাতে অন্তবর্তী উপাচার্য নিয়োগ করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস।
সূত্রের খবর, তাঁর কাছে জানতে চান, বৃহস্পতিবারের বৈঠকের পর কী পদক্ষেপ করা হয়েছে। সূত্রের খবর, র্যাগিং রোধে কীভাবে ইসরোর প্রযুক্তি কাজে লাগানো যায়, তা নিয়ে দ্বিধায় খোদ উপাচার্য।
সমস্ত সূচি বাতিল করে শনিবার কোচবিহার পৌঁছলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। আর কোচবিহার সার্কিট হাউসে রাজ্যপালকে ঘিরে ধরলেন বিজেপি সহ অন্যান্য বিরোধী দলের নেতারা। এদিন রাজনৈতিক হিংসার শিকার মানুষদের সঙ্গে হাসপাতালে গিয়ে কথা বলার পাশাপাশি কোচবিহারের পুঁটিমারিতে মৃত বিজেপি কর্মী প্রশান্ত রায় বসুনিয়ার বাড়িতে গেলেন রাজ্যপাল। পঞ্চায়েত ভোটের আগে দিলেন অহিংসার আশ্বাস।
বাংলায় রাজ্য ও রাজ্যপাল সংঘাত নতুন নয়! প্রায়শই কোনো না কোনো বিতর্কিত মন্তব্যে দুই পক্ষের সংঘাত লেগেই থাকে! আর এই সংঘাতের কেন্দ্রে রয়েছে উপাচার্য নিয়োগ মামলা। বেশ কয়েকদিন ধরেই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে শোরগোল রাজ্য-রাজনীতি। এহেন পরিস্থিতিতে ফের হাইকোর্টে বড়সড় ধাক্কা খেল রাজ্য। এবার রাজ্যের ১১টি বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থায়ী উপাচার্য নিয়োগের মামলায় রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সিদ্ধান্তেই সায় দেয় কলকাতা হাইকোর্ট।