নজরবন্দি ব্যুরো: “রাজভবন থেকে মেসেজ করে রেজিস্ট্রারদের বৈঠকে আসার জন্য নিষেধ করা হয়েছে।” শুক্রবার বিস্ফোরক অভিযোগ করেলন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর। জানা যাচ্ছে, আজ, শুক্রবার শিক্ষামন্ত্রীর ডাকা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মাত্র ১২ জন রেজিস্ট্রার। তাহলে কেন বাকি রেজিস্ট্রাররা এলেন না? এই প্রসঙ্গেই রাজ্যপালকে নিশানা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী! আজ, শুক্রবার ব্রাত্য বসু রাজ্যপালকে নিশানা করে প্রশ্ন করে বলেন, “হাড়হিম করা ঠান্ডা সন্ত্রাস কে তৈরি করছে?”
আরও পড়ুন: Anirban Bhattacharya: অনির্বাণ আসছেন রূপকথার গল্প নিয়ে, বল্লভপুরের পর এবার ‘পক্ষীরাজের ডিম’
শুধু তাই নয়, যেই যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রাররা এদিন শিক্ষামন্ত্রীর ডাকা বৈঠকে উপস্থিত হতে পারেননি, তাঁদের ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে শোকজ করা হয়েছে। অন্যদিকে, এপ্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারদের কাছ থেকে জানতে চাইলে, তাঁরা প্রসঙ্গে কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি। তবে তাঁদের মধ্যে একাংশ জানিয়েছেন যে, শিক্ষামন্ত্রীর ডাকা বৈঠকে যাওয়ার জন্য তাঁরা কোনও রকম অনুমোদন পাননি। এই মুহূর্তে রাজনৈতিক মহলে এই প্রসঙ্গে প্রশ্ন উঠছে যে, কেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রাররা রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীর ডাকে বৈঠকে গেলেন না? ওয়াকিবহল মহলের একাংশের দাবি, এই শোকজের জেরে আরও চরমে পৌঁছে যাবে রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত।

প্রসঙ্গত, গত রবিবারই রাজ্যের ১৬ টি বিশ্ব বিদ্যালয় গুলির জন্য অন্তবর্তী উপাচার্য নিয়োগ করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। এরপরেই চরমে উঠে রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত! নিজের ইচ্ছে মত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ করে রাজ্যপাল বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে অসন্মান করা হচ্ছে বলেই দাবি করেছিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। আর এপ্রসঙ্গেই মঙ্গলবার স্বয়ং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন যে, বাংলার শিক্ষাব্যবস্থার স্বার্থে রাজভবনের সামনে ধর্নায় বসবেন। শুধু তাই নয়, রাজ্যপালের কথা শুনে চললে রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয় গুলিতে ‘আর্থিক অবরোধ’ চলবে বলে ঘোষণা করলেন তিনি।

এরপরেই কলকাতায় ফিরে মুখ্যমন্ত্রীর ধর্না দেওয়ার প্রসঙ্গে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন রাজ্যপাল। রাজভবন যাওয়ার পূর্বে বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে দু’হাত জোড় করে মুখ্যমন্ত্রীর ধর্নার হুঁশিয়ারি স্বাগত জানালেন রাজ্যপাল। এদিন তিনি বলেন, “আমার সাংবিধানিক সহকর্মী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমি স্বাগত জানাচ্ছি। তিনি চাইলেই প্রতিবাদ আন্দোলন রাজভবনের ভেতরেই করতে পারেন। যা কিছু প্রতিবাদ করার রাজভবনের ভিতরে এসে করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। আমি তেনাকে রাজভবনে স্বাগত জানাচ্ছি।”
রাজভবন থেকে নিষেধ করা হয়েছে, বিস্ফোরক অভিযোগ শিক্ষামন্ত্রীর




