কলকাতা হাই কোর্টের রায়ে চাকরি হারিয়েছেন ২৫,৭৫৩ জন শিক্ষক। আর এবার কিন্তু রাজ্যের মানুষ সাক্ষী থাকতে চলেছে চাকরিহারাদের ধর্নার। রায় ঘোষণার পরদিনই দলে দলে চাকরিচ্যুতরা ভিড় জমিয়েছেন ধর্মতলায় গান্ধীমূর্তির পাদদেশে।
নজিরবিহীন দৃশ্য বাংলায়। তাও খোদ ধর্মতলায়। হাজার দিন হল রাস্তায় প্রতিবাদ জানাচ্ছেন নবম থেকে দ্বাদশ স্তরের মেধাতালিকাভুক্ত চাকরিপ্রার্থীরা। তবে এখনও মেলেনি চাকরি। পেরিয়েছে সহ্যের সীমা। এবার ধর্মতলার ধর্নামঞ্চের সামনে মাথা মুড়িয়ে প্রতিবাদ জানালেন রাসমণি পাত্র নামে এক মহিলা SLST চাকরিপ্রার্থী।
বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বরা উপস্থিত থাকবেন। আর এই দিনটিকেই বেছে নিল বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। একাধিক ইস্যুতে সরব হয়ে অমিত শাহকে ৫১ হাজার চিঠি পাঠাতে চলেছে তারা।
চাকরি নিশ্চিতের স্বপ্ন নিয়ে বহু চাকরি প্রার্থী এদিন পরীক্ষা দিতে এসেছেন। অন্যদিকে, এখনও অবধি স্বচ্ছ নিয়োগের দাবিতে এখনও রাস্তায় পড়ে রয়েছেন ২০১৪ সালের টেট পাশ চাকরি প্রার্থীরা। তাঁদের কথায়, এটা প্রহসন মাত্র। আজ যারা পরীক্ষা দিলেন তাঁদের আমাদের পাশে এসে বসতে হবে না তো? আমাদের নিয়োগ নিয়ে কী ভাবছে সরকার? প্রশ্ন তুলছেন আন্দোলনরত চাকরি প্রার্থীরা।
নিয়োগে অস্বচ্ছতার কারণে বারবার বঞ্চিত হয়েছেন চাকরি প্রার্থীরা। তাই তিন দফায় চাকরি প্রার্থীদের ৬০০ দিন ধরে আন্দোলন। আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন এসএলএসটি নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর চাকরি প্রার্থীরা। শুক্রবার তাঁদের ধর্নামঞ্চে উপস্থিত হলেন বাম নেতৃত্ব।