Protest in Dharmatala: রাস্তায় হাজার দিন, জোটেনি চাকরি, মাথা মুড়িয়ে প্রতিবাদ SLST চাকরিপ্রার্থীর

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরো: নজিরবিহীন দৃশ্য বাংলায়। তাও খোদ ধর্মতলায়। হাজার দিন হল রাস্তায় প্রতিবাদ জানাচ্ছেন নবম থেকে দ্বাদশ স্তরের মেধাতালিকাভুক্ত চাকরিপ্রার্থীরা। তবে এখনও মেলেনি চাকরি। পেরিয়েছে সহ্যের সীমা। এবার ধর্মতলার গান্ধীমূর্তির পাদদেশে ধর্নামঞ্চের সামনে মাথা মুড়িয়ে প্রতিবাদ জানালেন রাসমণি পাত্র নামে এক মহিলা SLST চাকরিপ্রার্থী।

আরও পড়ুন: বিবাহিতা মেয়েকে পিতৃকুলের পারিবারিক সদস্য হিসাবেই গণ্য করা হবে, এক দশক পর রায় দিল হাই কোর্ট

ধর্নারত চাকরিপ্রার্থীদের সরাসরি অভিযোগ কিন্তু রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে। দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা প্রতিবাদ জানিয়ে আসছেন। মেধাতালিকার অন্তর্ভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও কেন বঞ্চিত থাকতে হবে তাঁদের? এই প্রশ্ন বারবার তুলে আসছেন তাঁরা। তবে, রাসমণি পাত্ররা এখনও আস্থা রাখতে চান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপরে। তাঁদের মতে, চাইলে একমাত্র মুখ্যমন্ত্রীই পারেন এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে।

রাস্তায় হাজার দিন, জোটেনি চাকরি, মাথা মুড়িয়ে প্রতিবাদ SLST চাকরিপ্রার্থীর
রাস্তায় হাজার দিন, জোটেনি চাকরি, মাথা মুড়িয়ে প্রতিবাদ SLST চাকরিপ্রার্থীর

১০০০ দিন ধরে মঞ্চ খাটিয়ে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন রাসমণিরা। আজ বুকে প্ল্যাকার্ড ধরে তাঁরা অবস্থান বিক্ষোভ জানান। সেখানে লেখা ছিল, “১০০০ দিন রাস্তায়, অবিলম্বে সুপারনিউমেরারি পোস্টে চাকরি চাই।” সমস্ত সীমা ভেঙে যাওয়ায় রাসমণি মাথার চুল কামিয়েও ফেললেন। ভেঙে পড়লেন কান্নায়। তবে, আন্দোলনের স্ফুলিঙ্গ যে একটুও কমেনি তা স্পষ্ট বুঝিয়ে দিলেন কথায়।

রাস্তায় হাজার দিন, জোটেনি চাকরি, মাথা মুড়িয়ে প্রতিবাদ SLST চাকরিপ্রার্থীর

রাস্তায় হাজার দিন, জোটেনি চাকরি, মাথা মুড়িয়ে প্রতিবাদ SLST চাকরিপ্রার্থীর

রাস্তায় হাজার দিন, জোটেনি চাকরি, মাথা মুড়িয়ে প্রতিবাদ SLST চাকরিপ্রার্থীর

কী বললেন রাসমণি? তাঁর কান্নাভেজা কথায়, ‘‘দয়া করে রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে আমাদের সমস্যার সমাধান করা হোক। আমাদের কথা কি কেউ শুনতে পাচ্ছেন? আমাদের প্রাপ্য চাকরি আমাদের দ্রুত দিন।’’ প্রসঙ্গত, আন্দোলনকারীদের বেশিরভাগই ২০১৬ সালের SLST চাকরি পরীক্ষার মেধাতালিকার অন্তর্ভুক্ত। কিন্তু অভিযোগ, সে বছরের মেধাতালিকা নম্বরের ভিত্তিতে প্রকাশ করা হয়নি। প্রথমে সল্টলেকে আর তারপর ধর্মতলায় তাঁদের আন্দোলন চলছে। যদিো শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানিয়েছেন, বিষয়টি যেহেতু আদালতের অধীনে, তাই সেই আদালতের নির্দেশ মতোই সমাধানের চেষ্টাতে রয়েছে রাজ্য সরকার।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত