সেইসঙ্গে আরও জানানো হয়, সাংহাইয়ের গোটা ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে, পূর্ব চীনে থাকা ভারতীয় নাগরিকরা পরিষেবা লাভের জন্য অতিসত্বর বেজিং-এর ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। তবে আবেদন শুরু করার আগে সমস্ত নির্দেশিকা দেখার অনুরোধ রইল।
স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুলেটিন অনুসারে, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৯৪৬ জন। যা গতকালের থেকে ১৭ জন বেশি। শতকরার হার অনুসারে ৯৮.৪৬ শতাংশের কাছাকাছি দাঁড়িয়েছে সেই পরিমান। বলতে গেলে ধীরে ধীরে অনেকটাই বদলেছে পরিস্থিতি। বেড়েছে সুস্থতার সংখ্যা।
ভারতে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও বিশ্বের একাধিক দেশে দাপট দেখাচ্ছে করোনার নয়া ভ্যারিয়েণ্ট। বর্তমানে চিন,ব্রিটেন ও দক্ষিন কোরিয়া সহ একাধিক দেশে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে করোনা। এইমুহূর্তে চিনের রাজধানী বেজিং ও সাংহাই সহ একাধিক শহরে জারি রয়েছে কঠোর লকডাউন। যা নতুন করে চিন্তা বাড়াচ্ছে চিকিৎসকদের।
শোনা যাচ্ছে, আগামী জুন মাসের শুরুতেই দেশে আছড়ে পড়তে পারে করোনার চতুর্থ ঢেউ। তাই আগে ভাগেই দেশবাসীদের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য তৎপর স্বাস্থ্যমন্ত্রক। অপরদিকে চিনের মাটিতে নতুন করে শক্তি বাড়াচ্ছে করোনা। পূর্বেই লকডাউন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল রাজধানী সহ দেশের একাধিক শহরে। এবার সেই ছবি দেখা দিল সাংহাইতে।
একইরকম ভাবে স্বস্তি দিয়েছে সুস্থতার হার। স্বাস্থ্য দফতরের পরিসংখ্যান বলছে, গোটা দেশে করোনার কবল থেকে মুক্ত হয়েছেন ৪ কোটি ২৪ লক্ষ ৩৭ হাজার ৭২ জন। তার মধ্যে বিগত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫ হাজার ৫৫৯ জন। পাশাপাশি ৯৮.৭১ শতাংশে গিয়ে পৌঁছেছে সুস্থতার হার। যা দেখে কিছুটা চিন্তা মুক্ত থাকছেন চিকিৎসকরা।
একইভাবে স্বস্তি দিয়ে কমেছে অ্যাকটিভ কেস। ০.১০ শতাংশের ঘরে এসে পৌঁছেছে এর সংখ্যা। সেইসঙ্গে গোটা দেশে করোনার সাথে লড়াই করে সুস্থ হয়ে উঠেছে ৪ কোটি ২৪ লক্ষ ২০ হাজার ১২২ জনের কাছাকাছি। যাদের মধ্যে শেষ ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন, ৬ হাজার ৫৫৪ জন। যা দেখে স্বস্তির নিঃশ্বাস নিচ্ছেন চিকিৎসকরা
উল্লেখ্য, গত রবিবার গোটা দেশের দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৫ হাজারের কাছাকাছি। প্রাণ গিয়েছিল ১৫৮ জনের। তবে সেখান থেকে আজ অনেকটাই নিম্নমুখী হয়েছে মৃত্যুর সংখ্যা। এখনো পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন মোট ৬৬ জন।