সকাল থেকেই শুরু হয়েছে হাইভোল্টেজ পঞ্চায়েত নির্বাচন। এই ভোটকে কেন্দ্র করেই সামনে আসছে অশান্তির খবর। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে রক্তারক্তি কাণ্ড। ভোট হিংসায় মৃতের সংখ্যা ২০- র বেশি। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস নিজে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে বেরিয়ে পড়েছেন। এদিকে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের দেখা নেই। শাসক কিংবা বিরোধী, সন্ত্রাসের হাত থেকে রেহাই মিলছে না কারও।
পঞ্চায়েত নির্বাচনের দুদিন বাকি। অন্তিম পর্বের প্রচার চলছে। রাজনৈতিক দলগুলির জোরদার লড়াই করতে ময়দানে নেমে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে শাসক দলে বড় ভাঙন। ভোটের মুখেই তৃণমূল ছাড়লেন প্রায় ৬০০ জন কর্মী। বুধবার মুর্শিদাবাদে ঘাসফুল ছেড়ে হাত শিবিরে যোগদান করেন তৃণমূল নেতা ও তাঁর কয়েকশো অনুগামীরা।
পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আরও একটি জটিলতা কাটল। এক দফাতেই ভোট হবে, বুধবার এক মামলার শুনানিতে এই নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর আবেদন খারিজ হয়ে গেল প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে। পর্যাপ্ত বাহিনী রাজ্যে রয়েছে, ফলে দফা বাড়িয়ে ভোট করানোর প্রয়োজন নেই, এমনই পর্যবেক্ষণ আদালতের।
কয়েকমাস আগেই বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার এবং উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদব অবিজেপি শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে দেখা করে বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছিলেন। বাংলায় এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধভ ঠাকরে এবং এনসিপি সভাপতি শরদ পাওয়ারের সঙ্গে দেখা করেন দুজন।
গত ২৩ জুন পাটনায় বিরোধীদের বৈঠক হয়। সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একজোট হয়ে লোকসভায় লড়াই করার বার্তা দিয়েছিলেন। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বলেছিলেন, "যে নীতি এবং আদর্শের ওপর ভারত দাঁড়িয়ে আছে তার ভিতে আক্রমণ চালাচ্ছে বিজেপি, আরএসএস, এটা আদর্শের লড়াই আর এখানে আমরা সবাই একসঙ্গে আছি।"
তুমি একজন ভালো দলীয় কর্মী এবং ভালো নেতা। তুমি যদি কংগ্রেসে আসো তবে তোমার ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে। কিন্তু আমি তাঁকে বলেছিলাম কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার থেকে আমি কুয়োয় ঝাঁপ দেব।"