নজরবন্দি ব্যুরো: পঞ্চায়েত ভোটের বাকি আর কয়েক সপ্তাহ। তার আগেই চোখে পড়ছে দলবদলের হিড়িক। এবার এক চাঞ্চল্যকর ঘটনার সাক্ষী রইল সাহেবনগর। পঞ্চায়েতের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেই তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন কংগ্রেস প্রার্থী। তাঁর সঙ্গেই তৃণমূলে যোগদান করে ১৪৫ টি পরিবার। অন্যদিকে, শাসক শিবিরে যোগ দেয় সিপিএমের কয়েকটি পরিবার।
আরও পড়ুন: হাইকোর্টের নির্দেশের পরই ৮০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে চিঠি কমিশনের
জানা গিয়েছে, পলাশিপাড়ার সাহেবনগর পঞ্চায়েতের বড়নলদহ ১০ নং বুথে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন কংগ্রেস প্রার্থী আক্তার শেখ। দলের হয়ে আসন্ন নির্বাচনে লড়তে টিকিট পেয়েছিলেন তিনি। মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু কয়েকদিন যেতে না যেতেই মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেন। এদিন তাঁর সঙ্গেই তৃণমূলে আসেন আরও ১৪৫ টি পরিবার। আক্তার শেখ জানিয়েছেন, গত বছর ওই বুথে কংগ্রেসের হয়ে জিতিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু মানুষের সহযোগিতা করতে পারছিলেন না। তাই এবারে কংগ্রেসের টিকিট পেলেও মনোনয়ন প্রত্যাহার করে উন্নয়নের লক্ষ্যে তৃণমূলে যোগ দেন।

পলাশিপাড়ার সাহেবনগর পঞ্চায়েতের বড়নলদহ ১১ নম্বর বুথের কর্মী আরিজুল শেখ সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন। তাঁর সঙ্গে আরও কয়েকটি পরিবার এদিন ঘাসফুল শিবিরে যোগদান করে। আরিজুল শেখ দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে বলেন, “দলের মধ্যে মাতব্বরদের কথাই শেষ কথা, তাদের উপরে কথা বলার সাহস কারও নেই। আমাদের পরিবার সিপিএমের জন্ম লগ্ন থেকেই এই দলটা করে আসছে। সাধারণ মানুষের জন্য কিছুই করতে পারেনি। তাই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের শরিক হতে এই দলবদল।”

কংগ্রেস ও সিপিএমের কর্মীদের দলবদল নিয়ে তেহট্ট ২ নং ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি দেবাশিস বিশ্বাস বলেন, “নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে জাতীয় কংগ্রেসের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে প্রায় ১৪৫ টি পরিবারকে নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেছেন আক্তার। এছাড়া সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে এসেছেন একজন কর্মী।” যদিও এনিয়ে তেহট্ট ২ নম্বর ব্লকের সিপিএম এরিয়া কমিটির সম্পাদক সলিল কর দাবি করেন, ওই কর্মী তৃণমূলেরই লোক। পুরোটাই তৃণমূলের সাজানো গল্প।
ভোটের আগে ফের দলবদল, কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে আসন্ন পঞ্চায়েতের প্রার্থী




