নজরবন্দি ব্যুরো: গত সপ্তাহে পাটনায় বিরোধী বৈঠক হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে রাহুল গান্ধী, লালু প্রসাদ যাদব সহ অবিজেপি রাজ্যগুলির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। ওই বৈঠকের আয়োজক ছিলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। আগামী বৈঠকের দিন, জায়গা স্থির হয়ে গিয়েছিল। তবে এখন জানা যাচ্ছে পিছিয়ে যেতে পারে বিরোধীদের পরবর্তী বৈঠক। কিছু কারণবশত নির্ধারিত জায়গার পরিবর্তন হতে পারে।
আরও পড়ুন: পঞ্চায়েতে বাংলায় তৃণমূল-বাম-কংগ্রেস তরজা, প্রশ্নের মুখে বিরোধী জোটের শিমলা বৈঠক!


প্রথমে জানা গিয়েছিল আগামী ১২ জুলাই সিমলায় বিরোধীদের আগামী বৈঠকের দিন ধার্য করা হয়েছিল। সূত্রে খবর, ১২ নয় এই বৈঠক হতে পারে আগামী ১৪ জুলাই। অন্যদিকে, এই মুহূর্তে সিমলার আবহাওয়া তেমন অনুকূল নয়। লাগাতার বৃষ্টিতে হিমাচল প্রদেশের আবহাওয়া খারাপ রয়েছে। সেই কারণেই গন্তব্যস্থল পরিবর্তন করা হতে পারে। বিরোধীদের চাঁদের হাট বসতে পারে রাজস্থানের জয়পুরে। এই বৈঠকের আয়োজক হবে দেশের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস।

কয়েকমাস আগেই বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার এবং উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদব অবিজেপি শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে দেখা করে বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছিলেন। বাংলায় এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধভ ঠাকরে এবং এনসিপি সভাপতি শরদ পাওয়ারের সঙ্গে দেখা করেন দুজন। সর্বসম্মতিক্রমে গত ২৩ জুন পাটনায় বিরোধী বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। ২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে হঠাতে একজোট হয়েছিলেন বিরোধীরা।



উল্লেখ্য, জাতীয় স্তরে বিজেপির বিরুদ্ধে একজোট হওয়ার বার্তা দিলেও রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে পারস্পরিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা যায়। বাংলায় এই মুহূর্তে পঞ্চায়েত ভোটের আবহ বিরাজমান। তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ করতে পিছু পা হচ্ছে না সিপিএম-কংগ্রেস। পাল্টা জবাব দিতে ছাড়ছে না ঘাসফুল শিবির। অন্যদিকে, কংগ্রেস এবং আপের মধ্যেও তরজা শুরু হয়েছে। অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল এবং কংগ্রেস কী একমঞ্চে উঠবে? এই প্রশ্নও ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনৈতিক মহলে। এই অবস্থায় ওয়াকিবহাল মহলের অনেকেই ‘সোনার পাথরবাটি’ বলছেন। ফলত স্বাভাবিকভাবেই পরবর্তী বিরোধী বৈঠক নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে।
পিছোতে পারে বিরোধী বৈঠকের দিন-স্থান, এবার আয়োজকের ভূমিকায় Congress!









