মঙ্গলবার লোকসভায় পাশ হয়েছে মহিলা সংরক্ষণ বিল। সেদিনই কংগ্রেস জানিয়েছিল, এই বিল আসলে তাঁদের শাসন কালে আনা। সেক্ষেত্রে উদ্যোগী হয়েছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী। যদিও তা মানতে নারাজ কেন্দ্রের বর্তমান শাসক দল। বুধবার অবশ্য কংগ্রেস নেত্রী সনিয়া গান্ধী বিলটিকে সমর্থন জানালেন। তবে, সঙ্গে জুড়ে দিলেন কয়েকটা কথা।
নতুন সংসদ ভবন উদ্বোধনের দিনই নতুন 'বিতর্ক' উস্কে দিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তাঁর দাবি, নতুন ভবনে সংসদের যে সংবিধানের কপি দেওয়া হয়েছে সেখানে নাকি 'ধর্মনিরপেক্ষ' ও 'সমাজতান্ত্রিক' শব্দদ্বয় বাদ দেওয়া হয়েছে। আর এই বিষয়টি নিয়ে মঙ্গলবার সংসদ ভবনের বাইরে প্রতিবাদ জানায় কংগ্রেস। প্রতিবাদে অধীরের সঙ্গে সামিল হন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীও।
আজকের পর একটি অধ্যায়ে চিরকালের মত ইতি পড়তে চলেছে। পাশাপাশি এই বিশেষ অধিবেশনে বক্তৃতা রাখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর মুখে শোনা যায় জওহরলাল নেহেরু থেকে শুরু করে ইন্দিরা গান্ধী, মনমোহন সিংয়ের নাম।
শুক্রবার বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে রাহুল দেশের নাম বিতর্ক নিয়ে মুখ খুলেছেন। তাঁর কথায়, দেশের বিভিন্ন সমস্যা থেকে দৃষ্টি ঘোরাতে এই ইস্যু তৈরি করা হয়েছে।
শতাব্দী প্রাচীন দল কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী বিদেশ সফরে যাচ্ছেন। তবে কি বিদেশে গিয়ে সেখান থেকেই নরেন্দ্র মোদী ও তাঁর কেন্দ্রের সরকারকে তোপ দাগবেন? এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে অনেকের মনে।