এভাবে বারবার বিবৃতি দিয়ে তাঁরাই প্রমাণ করে দিয়েছেন যে রাজনীতিতে পরাজিত করতে পারছে না। তাই অভিষেককে টার্গেট করা হচ্ছে। বাংলার চার আনার নেতারা দিল্লির জেঠুকে গিয়ে বলেছেন, আর পেরে উঠছি না এবার পাঠাও এজেন্সি। এটা যে চক্রান্ত সেটা বিধানসভা নির্বাচনের আগেই প্রমাণিত।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে শুক্রবার সকাল ১১ টার মধ্যে সল্টলেকে ইডি (ED) দফতরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টোরেট জিজ্ঞাসাবাদও করেছে তাঁকে এবং তাঁর স্ত্রীকে। সূত্রে খবর, অভিষেকের শ্যালিকা মানেকা গম্ভীরকে তলব করা হয়েছে দিল্লিতে ইডি সদর দফতরে। অভিষেকের পর ইডির নজরে মন্ত্রী মলয়। খুব শীঘ্রই তাঁকে তলব করা হতে পারে।
কী প্রতারণা? কন্যাশ্রী, যুবশ্রী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দিয়ে প্রতারণা করেছে তৃণমূল?বিজেপির অশ্বমেধের ঘোড়া আটকেছে একমাত্র বাংলা। নিত্যযাত্রা করেও মুখ থুবড়ে পড়েছে। এক মহিলার পা ভেঙে দেওয়া হলেও তিনি লড়েছেন। এজন্য তাদের গায়ে জ্বালা। এই কারণে প্রতি পদক্ষেপে বাংলার মানুষের উপর অত্যাচার করে চলেছে।
এরাজ্যে কয়লা পাচায় নিয়ে তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় সংস্থা ইডি। ইডির পাশাপাশি কয়লা পাচারকাণ্ডে আলাদা করে তদন্ত করছে রাজ্য পুলিশের সিআইডি-ও। শুধু এই তদন্তই নয়, গরু পাচার মামলারও তদন্ত করছে সিআইডি। জানা গিয়েছে, গরু পাচার মামলায় তদন্তে নেমে ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়েছে।
কয়লা পাচারকাণ্ডে একাধিকবার তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করে ইডি। বারবার কলকাতার বদলে কেন অভিষেককে দিল্লিতে তলব? এই প্রশ্ন তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। বৃহস্পতিবার সেই মামলায় সুপ্রিম কোর্টের তীব্র ভৎসনার মুখে পড়তে হল ইডিকে।