আর আজ এক মহিলা বলছেন আশি বছর পরে দিল্লি চলো। রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে নয়৷ তিনি মানুষের অধিকার চাইতে যেতে বলছেন। কাজে মন দিন। কে বিরোধিতা করল। কে কী করল, বলল তাতে মন দেবেন না৷’’
"অনেক হাসপাতাল হচ্ছে। যেখানে ডাক্তার, নার্স নেই। ডাক্তারদের একটা ডিপ্লোমা কোর্স চালু করা যায় কি না দেখো ইঞ্জিনিয়ারদের মতো। তাহলে অনেক ছেলেমেয়ে ডাক্তারি ডিপ্লোমা কোর্সের সুযোগ পাবে।" ডিপ্লোমা কোর্সের মাধ্যমে পাশ করা ডাক্তারদের প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রাখা যাবে বলে মনে করছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই প্রস্তাব খতিয়ে দেখতে রাজ্যের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এবং স্বাস্থ্যকর্তাদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করেছে রাজ্য সরকার।
তিনি আরও বলেন, ‘যারা এই কোর্সের প্রবক্তা তাঁরা তাঁদের প্রাথমিক স্বাস্থ্যের জন্যে এই সমস্ত চিকিৎসকদের কাছে যাবেন তো? নাকি গ্রামের মানুষ, গরীব মানুষের সাধারণ মানুষের জীবনের কোনো মূল্য নেই? তিন বছরে মডার্ন মেডিসিন আর পনেরো দিনে নার্সিং শেখা যায় নাকি’?
নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘অনেক হাসপাতাল হচ্ছে, যেখানে ডাক্তার নেই, নার্স নেই। ডাক্তারদের একটা ডিপ্লোমা কোর্স চালু করা যায় কি না দেখো, ইঞ্জিনিয়ারদের মতো। তাহলে অনেক ছেলেমেয়ে ডাক্তারি ডিপ্লোমা কোর্সের সুযোগ পাবে।’ মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, "পাঁচ বছর ধরে প্রশিক্ষণের পর আমরা যে অরিজিনাল ডাক্তার পাচ্ছি, তাদের অনেকটা সময় যাচ্ছে, পড়াশোনা করতে হচ্ছে, পরীক্ষা দিতে হচ্ছে। কিন্তু হাসপাতাল বাড়ছে, বেড বাড়ছে, লোকসংখ্যা বাড়ছে। এতে যদি সমান্তরালভাবে একটি ডিপ্লোমা কোর্সের ব্যবস্থা থাকে তাহলে প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে কাজে লাগানো যায়।"
উল্লেখ্য, গত ১ এপ্রিল থেকে রাজ্যে শুরু হয়েছে দুয়ারে সরকার। কন্যাশ্রী, স্বাস্থ্য সাথী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সহ ৩৩ টি প্রকল্পের সুবিধা পেতে আবেদনের জন্য ভিড় জমাচ্ছে আমজনতা। তবে ছয়টি প্রকল্পে আবেদনের সংখ্যা সবথেকে বেশি।