মহাকাশ বিজ্ঞনীদের মতে, যেই মুহুর্তে রকেটটি নিম্মকক্ষপথে এসে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল স্পর্শ করবে, তখনই সেটা ভেঙে পড়তে পারে। যেহেতু রকেটটি আয়তন বিশাল, তাই দু হাজার কিলোমিটার জুড়ে ধ্বংসবশেষ বৃষ্টির মতে ঝড়ে পড়তে পারে। যদিও এই ঘটনায় বড়সড় ক্ষতির কথা নস্যাৎ করে দিয়েছেন মহাকাশবিদরা।
সূত্রের খবর, শিলিগুড়ি করিডোর দখল করে ধীরে ধীরে উত্তর-পূর্ব দখলের পরিকল্পনা রয়েছে চিনা ফৌজের। প্রাক্রন এক সেন কর্তা জানিয়েছেন, পাংডা গ্রাম ও তার উত্তর ও দক্ষিণের গ্রামগুলি থেকেই বোঝা যাচ্ছে চিনারা ডোকলাম মালভূমির ঝাম্পেরি শৈলশিরার উপরে বৈধ অধিকার কায়েম করতে চাইছে।
প্রসঙ্গত, তুলনায় অনেক পরে মহাকাশ অভিযান শুরু করেও আমেরিকা, রাশিয়া, ভারত, জাপান, ইউরোপের দেশগুলিকে কিছুটা চমকে দিয়ে ২০০৩ সালে মহাকাশে চিন মহাকাশচারী পাঠিয়ে দিতে পেরেছিল। ২০২২ সালে চিন পৃথিবীর কক্ষপথে তাদের স্পেস স্টেশনও গড়ে তুলতে চলেছে।
আরও জানা গিয়েছে, ভারত থেকে চিন মোট চাল আমদানি করেছে ১৬.৩৪ লাখ মেট্রিক টন। তার প্রায় ৯৭ শতাংশ অর্থাৎ ১৫.৭৬ লাখ মেট্রিক টনই ভাঙা চাল বা খুদ। ভারত থেকে যে দেশগুলি ভাঙা চাল বা খুদ কেনে, তাদের মধ্যে চিন শীর্ষ স্থানে রয়েছে। আগে আফ্রিকার দেশগুলিকে ভাঙা চাল বেশি পরিমাণে রপ্তানি করা হত।
ঘটনাটি ঘটেছে স্থানীয় সময় সকাল আটটা নাগাদ। বিমানটি দক্ষিণ-পশ্চিম চিনের চংকুইন থেকে তিব্বতের নাইংচিতে যাচ্ছিল। কিন্তু রানওয়েতে দৌড় শুরু করার কয়েক মুহূর্তের মধ্যে বিমানকর্মীরা লক্ষ্য করেন বিমানটিতে কিছু সমস্যা রয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে উড়ান বাতিল করা হয়। অত দ্রুত গতিতে থাকা বিমানটিকে থামানোর চেষ্টা করায় আগুন লেগে যায় বলে অনুমান।
এই ঘটনাকে ঘিরে আবার নানা রকম জল্পনাও ছড়িয়েছে। কেউ কেউ দাবি করেছেন, আকাশ লাল হয়ে যাওয়ার ঘটনা সঙ্কেত দিচ্ছে কোনও অশুভ কিছু ঘটতে চলেছে।
#Najarbnadi #China #Japan #TiwtterPost
চিনফিং সরকার সে দেশে তৈরি যে টিকা বহুল পরিমাণে ব্যবহার করছে, তার ক্ষমতা আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত অন্যান্য টিকার চেয়ে কম বলে সম্প্রতি আমেরিকার একটি গবেষণা সংস্থা দাবি করেছে। পাশাপাশি, টিকার বণ্টনের ক্ষেত্রেও অসাম্য থেকে যাচ্ছে বলে অভিযোগ সামনে এসেছে।