”ভয় পাওয়ার মতো কিছু নেই। ভোট ব্যাঙ্কের কথা ভেবে বিরোধীরা একটি আইন নিয়ে রাজনীতি করছেন।” তাঁর কথায়, ”সিএএ কারও নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার বিষয় নয়। আমি স্পষ্ট ভাবেই বলছি, ভারতের মুসলিমদের ভয় পাওয়ার মতো কিছু নেই।”
নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে একগুচ্ছ মামলা দায়ের হয়েছে। মামলা করেছেন বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির নেতারা। আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রকে জবাব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ৯ এপ্রিল।
উল্লেখ্য, সিএএর ফলে ভারতীয় মুসলিমরা নাগরিকত্ব যাবে না বলেই দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তবে তাঁর বক্তব্যের পরেও নিজেদের অবস্থান বদলাতে নারাজ আমেরিকা।
বাংলা পক্ষের এই উদ্যোগে আইনের পক্ষ নিয়ে শান্তনু ঠাকুর আমি ১৬ তারিখ ঠাকুরনগরের সেই মঞ্চে আসছেন কিনা সেটা সময় বলবে। কিন্তু বাংলা পক্ষের এই উদ্যোগ এই আইনের কোনখানুপুঙ্খ আরো ভালোভাবে পারবেন সাধারণ মানুষ তা বলাই যায়।
সূত্রের খবর, ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগ সহ একাধিক সংগঠনের তরফে মামলা করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী কপিল সিবাল জরুরি ভিত্তিতে মামলার শুনানির আর্জি জানিয়েছেন। ২০১৯ সালে এই আইন সংসদে পাশ হওয়ার পর থেকে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে।প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচুড়ের বেঞ্চে চলবে এই মামলার শুনানি।
উল্লেখ্য, এই আইনের মাধ্যমে নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হবে বলে দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একাধিক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও জানান, তাঁদের রাজ্যে সিএএ কার্যকর করতে দেবেন না। তবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর কথায়, সিএএ নিয়ে রাজনীতি করছেন মমতা।
ইন্ডি জোট নিজেও জানে ওরা কখনও ক্ষমতায় আসবে না। বিজেপি সিএএ এনেছে, নরেন্দ্র মোদী সরকার এই আইন এনেছে। এই আইন প্রত্যাহার করা অসম্ভব। আমরা এই আইন নিয়ে দেশজুড়ে সচেতনতার প্রচার করব যাতে যারা এই আইন প্রত্যাহার করতে চায়, তারা কোনও সুযোগই না পায়।”