সিএএ কার্যকর নিয়ে চিন্তিত আমেরিকা। কীভাবে ভারতে এই আইন বলবৎ করা হচ্ছে সেদিকে কড়া নজর রাখা হচ্ছে বলে জানাল মার্কিন বিদেশ দপ্তর। তবে সিএএ বলবৎ করার ঘোষণায় খুশি আমেরিকার হিন্দুরা।সোমবার থেকে সারাদেশে কার্যকর হয়েছে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন। এই আইন কার্যকর হতেই যেমন একদিকে বহু মানুষ সমর্থন জানিয়েছেন, অন্যদিকে এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করেছেন অনেকেই।
আরও পড়ুন: ভোট আবহে ‘লড়াই’ ভুলে সৌজন্য, অসুস্থ মুখ্যমন্ত্রীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করলেন সুকান্ত মজুমদার



এই আইন নিয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের অফিসের একজন মুখপাত্র বলেন, ‘সিএএ মৌলিকভাবে বৈষম্যমূলক প্রকৃতির এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের বাধ্যবাধকতার লঙ্ঘন।’ তিনি আরও জানান, এই আইনের প্রয়োগের নিয়ম আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন মেনে চলছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অপর দিকে আমেরিকার বিদেশ দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, “গত ১১ মার্চ সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে যে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে সেটা নিয়ে আমরা গভীরভাবে চিন্তিত। ভারতে কীভাবে এই আইন কার্যকর হবে, সেদিকে কড়া নজর রাখছি। গণতন্ত্রের মৌলিক অধিকারগুলোর মধ্যে অন্যতম ধর্মীয় স্বাধীনতা আর সকল সম্প্রদায়ের সমানাধিকার।”


সিএএ কার্যকর নিয়ে চিন্তিত আমেরিকা ও জাতিসংঘ

উল্লেখ্য, এই আইনের মাধ্যমে নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হবে বলে দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একাধিক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও জানান, তাঁদের রাজ্যে সিএএ কার্যকর করতে দেবেন না। তবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর কথায়, সিএএ নিয়ে রাজনীতি করছেন মমতা।







