নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (CAA) বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে একগুচ্ছ মামলা দায়ের হয়েছে। মামলা করেছেন বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির নেতারা। মঙ্গলবার সিএএ মামলার শুনানিতে স্থগিতাদেশ দিল না সুপ্রিম কোর্ট। তবে, আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রকে জবাব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ৯ এপ্রিল।
আরও পড়ুন: ‘ফিরহাদ হাকিম একজন খুনি’, গার্ডেনরিচকাণ্ডে মেয়রের গ্রেফতারির দাবিতে সরব অধীর


সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ)-এর বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছেন মিম প্রধান তথা হায়দরাবাদের সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়েইসি, কংগ্রেসের জয়রাম রমেশ, তৃণমূলের মহুয়া মৈত্র, সিপিএমের যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআই, কেরলের আঞ্চলিক দল আইইউএমএল। মোট ২৩৭টি মামলা দায়ের হয়েছে।

এদিন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির বেঞ্চ সবগুলি মামলা একসঙ্গে শোনার সিদ্ধান্ত নেন। এরপর বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, এক্ষুনি এই আইনকে স্থগিতাদেশ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। সরকার পক্ষের আইনজীবী তুষার মেটা এদিন সুপ্রিম কোর্টে জানান, “এই আইনে কারুর নাগরিকত্ব যাবে না”।



‘যোগ্য ব্যক্তিরা ভারতীয় নাগরিকত্ব পাবেন’, ১১ মার্চ বিজ্ঞপ্তি জারি করার মাধ্যমে সিএএ (CAA) কার্যকর করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। ২০১৯ সালে সংসদে পাশ হয় সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন। কিন্তু, লাগু করতে ৪ বছর লেগে গেল। লোকসভা নির্বাচনের আগে এই সিদ্ধান্ত রাজ্যের মতুয়াদের মধ্যে আনন্দের ঝড় বইয়ে দিয়েছে।
CAA নিয়ে স্থগিতাদেশ দিল না সুপ্রিম কোর্ট, তবে কেন্দ্রকে কী নির্দেশ শীর্ষ আদালতের?

সিএএ আইন (CAA) অনুযায়ী, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মতো মুসলিম ধর্মাবলম্বী দেশ থেকে ধর্মীয় উৎপীড়নের কারণে ভারতে এসে থাকা হিন্দু, শিখ, জৈন,পার্সি, বৌদ্ধ এবং খ্রীস্টান সম্প্রদায়ের শরণার্থীরা ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন জানাতে পারবেন।







