মঙ্গলবার সংসদে মোদির তৃতীয় সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তবে বাজেট ঘিরে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে বিরোধীরা। এই বাজেটকে ‘কুর্সি বাঁচানোর বাজেট’ বলে তোপ দেগেছেন বিরোধীরা। বুধবার সকালেই সংসদের বাইরে প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভ দেখালেন 'ইন্ডিয়া' জোটের নেতারা।
আজ সংসদ চত্বরে হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে বাজেটের বিরোধিতায় সরব হতে দেখা গেল কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী, সনিয়া গান্ধী থেকে শুরু করে তৃণমূলের কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, দোলা সেন প্রমুখদের। ‘ইন্ডিয়া’ জোটের মতে, এই বাজেট কুর্সি বাঁচাও বাজেট!
বুধবার সংসদ চত্বরে হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে বাজেটের বিরোধিতায় সরব হতে দেখা গেল কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী, সনিয়া গান্ধী থেকে শুরু করে তৃণমূলের কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, দোলা সেন প্রমুখদের। 'ইন্ডিয়া' জোটের মতে, এই বাজেট কুর্সি বাঁচাও বাজেট! উল্লেখ্য, বাজেটের বিরোধিতায় আগামী ২৭ জুলাই নীতি আয়োগের বৈঠকও বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কংগ্রেস নেতৃত্ব।
বাজেট পেশের সঙ্গে সঙ্গেই অসাম্যের অভিযোগ তুলে সরব 'ইন্ডিয়া' জোটের একাধিক নেতানেত্রী। এই বাজেটকে 'ব্যর্থ বাজেট' হিসাবে কটাক্ষ করেছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একই অভিযোগ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও। তিনি এই বাজেটকে 'দিশাহীন, গরীব বিরোধী এবং রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্ট' বলে অভিহিত করেছেন।
বাজেট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই অসাম্যের অভিযোগ তুলেছেন বিরোধীরা। তাঁদের বক্তব্য, এই বাজেট দেশের বাজেট নয়, বরং বিহার-অন্ধ্রপ্রদেশের বাজেট! কারণ, বিহারের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ২৫ হাজার কোটি টাকা এবং অন্ধ্রপ্রদেশের জন্য বরাদ্দ ১৫ হাজার কোটি টাকা। এই দুই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার ও চন্দ্রবাবু নায়ডুর সমর্থন ছাড়া তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় আসতে পারতেন না নরেন্দ্র মোদি। ফলে, 'বন্ধু'-দের প্রতি কৃতজ্ঞতার 'ছাপ' এবারের বাজেটে স্পষ্ট ধরা পড়েছে।
প্রধানমন্ত্রী সাফ জানান, আগামী দিনে দেশের ঘরে ঘরে স্বনির্ভর বাণিজ্য শুরু হবে। গ্লোবাল ম্যানুফ্যাকচারিং হাব হিসাবে কাজ করবে ভারত বলেও জানান নরেন্দ্র মোদি। সঙ্গে বলেন, পূর্ব ভারতকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কৃষি, বাণিজ্য, পরিবহন, পর্যটন থেকে শুরু করে কর্মসংস্থান সবকিছুই আগামীদিনে আরও উন্নয়ন দেখা যাবে বলে দাবি প্রধানমন্ত্রী।
বিজেপি বিরোধিদের বক্তব্য, এই বাজেট দেশের বাজেট নয়, বরং বিহার-অন্ধ্রপ্রদেশের বাজেট! কারণ, বিহারের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ২৫ হাজার কোটি টাকা এবং অন্ধ্রপ্রদেশের জন্য বরাদ্দ ১৫ হাজার কোটি টাকা। উঠছে অসাম্যের অভিযোগ। বিরোধিদের বক্তব্য, কেবলমাত্র বিজেপি বা এনডিএ শরিকদের দখলে থাকা রাজ্যগুলির জন্য বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছে।