ক্ষোভ উগরে কমিশনকে কড়া চিঠি বিএসএফ কর্তার। পঞ্চায়েত নির্বাচনে অশান্তি এড়াতে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়েই রাজ্যে ভোট করানোর নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। কিন্তু ভোটের সকাল থেকেই দেখা গেল অন্য ছবি। জেলায় জেলায় হিংসার ঘটনা, নানা অভিযোগ। খুন হয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মী-সমর্থকরা। এসবের মধ্যে একটাই অভিযোগ আসছে, অধিকাংশ বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী নেই। বিএসএফ কর্তা তাঁর চিঠিতে কী জানালেন?
সোমবার কোচবিহারে পঞ্চায়েতের প্রচারে গিয়ে বিএসএফ-এর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ শোনা গিয়েছিল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে। সভামঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "আমার কাছে খবর আছে যে, পঞ্চায়েতের আগেই বিএসএফ বর্ডারে বর্ডারে মানুষকে ভয় দেখাবে।" আর মুখ্যমন্ত্রীর এহেন মন্তব্যে জেরেই ভোটের আগেই নতুন করে শোরগোল ছড়িয়েছে।
বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক বাপি সরকার বলেন, “এটা রাজ্য পুলিশের এলাকা নয়। ওপারে যাওয়ার কিছু নিয়মাবলী রয়েছে। তা মেনে চললেই আর কোনও সমস্যা দেখা দেবে না।”
কোচবিহারের যুবক প্রেম কুমার বর্মনের মৃত্যুর ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। শনিবার কোচবিহারের মাথাভাঙা থেকে কেন্দ্রীয় সরকার ও বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দাগতে পিছপা হলেন না তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রেম কুমারের মৃত্যুর ঘটনায় সরাসরি চ্যালেঞ্জ কেন্দ্রের বিরুদ্ধে। ঘটনার শেষ দেখে ছাড়ব। বাড়ি যেন ছেড়ে বের হতে না পারে এরা। ঘেরাও করে রাখতে হবে।
বাগদায় এক বধূকে গণহত্যার প্রতিবাদে সরব হয়েছে সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলি। আগামীকাল এই ঘটনার প্রতিবাদে বাগদায় মিছিল করবে তৃণমূল। শনিবার বিকেলে সাংবাদিক বৈঠকে এমনটাই ঘোষণা করলেন তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তবে স্পষ্ট করে কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বিরুদ্ধে নয় তৃণমূল। কিন্তু মহিলাদের সুরক্ষা যেখানে বিপন্ন, তাই আন্দোলনে নামতে চাইছে তৃণমূল।