বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান উপাচার্যর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছিল। বুধবার সেই মামলাগুলির শুনানি চলছিল। তবে মামলা চলাকালীন হঠাৎ করেই আদালতে উঠে আসে প্রয়াত অভিনেতা তথা সংসদ তাপস পালের প্রসঙ্গ। তাপস পালের সেই বিখ্যাত লাইন ঘরে ছেলে ঢুকিয়ে দেবো কথটি উঠে আসে।
হাইকোর্টে স্বস্তি প্রাক্তন উপাচার্যের। এখনই তাঁর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। পাশাপাশি পুলিশকে নতুন নোটিস দেওয়ার নির্দেশ দেন। চলতি মাসের শেষে ফের এই মামলার শুনানি রয়েছে।
৬ টি এফআইআর দায়ের হয়েছে। এই অভিযোগগুলি খারিজের আবেদন করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। আদালতের কাছে রক্ষাকবচ চেয়েছেন প্রাক্তন উপাচার্য। আজই এই মামলার শুনানি হতে পারে।
প্রবল চাপের মাঝেই ফের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর দায়ের হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি মুখ্যমন্ত্রীর নামে ‘কুরুচিকর মন্তব্য’ করেছেন। আর এই ঘটনার জেরেই শুক্রবার তাকে তলব করেছে শান্তিনিকেতনের পুলিশ। তবে আজ কি হাজিরা দেবেন তিনি?
এর আগেও শান্তিনিকেতন থানায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্যের নামে এফআইআর দায়ের করেছিল শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষ। সেই সময় উপাচার্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল যে, শান্তিনিকেতন ট্রাস্টের সম্পত্তি হওয়া সত্ত্বেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অনুমতি ছাড়াই শান্তিনিকেতনের উপাসনাগৃহ, ছাতিমতলা, গৃহসহ মূল আশ্রমের একাধিক জায়গায় অ-রাবীন্দ্রিক ফলক লাগিয়েছে। যা এতদিনের রীতিনীতি ভেঙে নামফলক লাগানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
নাম ফলক বিতর্কের মধ্যেই মেয়াদ ফুরোল বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর। তাঁর জায়গায় ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য হলেন সঞ্জয় কুমার মল্লিক। সবচেয়ে প্রবীণ অধ্যাপক হিসাবে উপাচার্যের ভার নিলেন সঞ্জয়। এটাই বিশ্বভারতীর নিয়ম। বুধবার দুপুরে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়ে ইস্তফা দেন বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। স্থায়ী উপাচার্য পদে কে আসবেন তা জানা যাবে কিছুদিনের মধ্যেই।