নজরবন্দি ব্যুরো: নাম ফলক বিতর্কের মধ্যেই মেয়াদ ফুরোল বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর। তাঁর জায়গায় ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য হলেন সঞ্জয় কুমার মল্লিক। সবচেয়ে প্রবীণ অধ্যাপক হিসাবে উপাচার্যের ভার নিলেন সঞ্জয়। এটাই বিশ্বভারতীর নিয়ম। বুধবার দুপুরে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়ে ইস্তফা দেন বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। স্থায়ী উপাচার্য পদে কে আসবেন তা জানা যাবে কিছুদিনের মধ্যেই।
আরও পড়ুন: বালুর থেকে এখনই মন্ত্রিত্ব কাড়লেন না মমতা, বন দফতরের দায়িত্বে প্রতিমন্ত্রী বিরবাহা হাঁসদা


সাম্প্রতিক সময়ে একাধিকবার নানান বিতর্কে জড়িয়েছেন বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। কখনও নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেছেন তো কখনও আবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও মুখ খুলেছেন। পাল্টা মুখ্যমন্ত্রীও বিদ্যুৎ চক্রবর্তীকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। আর আজ শেষ দিনেও বিদ্যুৎ চক্রবর্তীকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখা দিল বিশ্বভারতী ক্যাম্পাসে।

আজ বিদ্যুৎ চক্রবর্তীকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো হতে পারে এই আশঙ্কায় প্রচুর সংখ্যক পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছিল বিশ্বভারতীতে। দুপুরে বাসভবন ‘পূর্বিতা’ থেকে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়ে সরকারি কাগজে সই করেন বিদ্যুৎ।
বর্তমানেও বিদ্যুৎ চক্রবর্তীকে কেন্দ্র করে একটি বিতর্ক চলছে। ইউনেস্কোর তরফে বিশ্বভারতীকে ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে এবং সেখানে যে ফলকটি বসানো হয়েছে তাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর নাম থাকলেও নেই কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম!



বিতর্কের মধ্যেই মেয়াদ ফুরোল বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর, বিশ্বভারতীর উপাচার্য পদে কে?
এই মর্মে বিগত দুই সপ্তাহ ধরে বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। চলছে ধর্না। প্রতিবাদে সামিল হয়েছেন পড়ুয়া এবং আশ্রমিকদের একটা বড় অংশ। অন্যদিকে, সঞ্জয়কুমার মল্লিক বিশ্বভারতীর এক কৃতী ছাত্র এবং ১৭ বছর ধরে তিনি বিশ্বভারতীতে অধ্যাপনা করছেন। কিছুদিন পড়িয়েছেন জহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়েও। বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর অবর্তমানে আপাতত তিনিই উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব সামলাবেন বিশ্বভারতীর।








