ভাঙড়ের পর এবার রণক্ষেত্র পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোণা। পতাকা লাগানো নিয়ে বাঁধল আইএসএফ-তৃণমূলের মধ্যে সংঘর্ষ। আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে নেমেছে পুলিশের বিশাল বাহিনী।
যে হাত ধরাধরি শুরু হয়েছিল একুশের বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে, সেই সখ্যতা কিন্তু দুই বছর পরেও একই ভাবে বজায় রয়েছে। আমরা বলছি, সেই সিপিএম-আইএসএফ-কংগ্রেস মহাজোটের কথা। আর শুক্রবার ভাঙড়ে একসাথে প্রচারে নামল সিপিএম-আইএসএফ। তাঁদের দাবি, বিপক্ষেও একটি নয় দুটি দল আছে। অর্থাৎ, তৃণমূল বিজেপি উভয়পক্ষকেই হারানোই তাঁদের লক্ষ্য।
পঞ্চায়েত ভোটের দিন ঘোষণার পর থেকেই উত্তপ্ত ভাঙড়। মনোনয়ন জমা দেবার শেষ দিনেও রাজনৈতিক হিংসার বলি হতে হয় তিনজনকে। এবার সেই ঘটনার এগারো দিন পর প্রকাশ্যে ভাঙড়বাসীদের কাছে ক্ষমা চাইলেন তৃণমূলের দাপুটে নেতা আরাবুল ইসলামের পুত্র হাকিমুল ইসলাম। তাঁর দাবি, তৃণমূল নেতারা ভুল করে থাকলে ক্ষমা করে দিন!
জোরকদমে চলছে পঞ্চায়েত ভোটের প্রচার। এবার পটাশপুরের নির্বাচনী সভা থেকে ফের একবার পুলিশকে আক্রমণ করলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক তথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এদিন উর্দিধারীদের কটাক্ষ করে শুভেন্দুর বক্তব্য, ‘পুলিশ আর তৃণমূল আলাদা করা যাচ্ছে না’।