বাড়িতে অনেকদিন ধরে কলা পরে থাকলে তা পেকে যায়। আর কলা পেকে গেলে বা মজে গেলে কলার গায়ে কালচে কালচে ছোপ পরে যায়। অনেকে এই কলা না খেয়ে ফেলে দেয়। কিন্তু জানেন কী? এই কলা কিন্তু খুব পুষ্টিকর। এই কলা খেয়ে আপনি খুব তাড়াতাড়ি ওজন কমিয়ে ফেলতে পারবেন। কিন্তু এই মজে যাওয়া কলা শুধু শুধু খাওয়া যায় না। তবে এই কলা দিয়ে এই রেসিপি বানিয়ে ফেলতে পারেন। দেখে নিন কীভাবে বানাবেন?
আজকাল কার দিনে কমবেশি সবারই ব্রণর সমস্যা থাকেই। কিন্তু সমস্যার হাত থেকে রেহাই পেতে বাজার থেকে কেনা অনেক রকমের জিনিসপত্র ব্যবহার করে থাকি আমরা। কিন্তু ওই সব জিনিস ব্যবহার করলেও কোনও ভাবেই রেহাই পাওয়া যায় না।
আপনারা যদি কখনো কোন বনেদি বাড়ির ইতিহাস পড়ে থাকেন, তাহলে শুনে থাকবেন বনেদি বাড়িতে কলার বড়ার পায়েসের চল ছিল। কখনো কোন বনেদী বাড়িতে অতিথি হিসেবে গেলে আপনাদের মধ্যে অনেকেই হয়তো এই পায়েস খেয়ে থাকতে পারেন। এমনকি এই পায়েসের কথা প্রাচীন ইতিহাস ও পাওয়া গিয়েছিল। এবার সামনে এলো সেই ঐতিহ্যপূর্ণ রেসিপি। জানুন কীভাবে বানাবেন।
আজকাল কার দিনের ব্যস্ত সিডিউল আর আমাদের লাইস্টাইলের জন্য অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। আর এই সমস্যার গুলির মধ্যে অন্যতম ব্রণ। ব্রণর সমস্যা প্রায় কম বেশি সবার থাকেই। অনেক রকমের জিনিসপত্র ব্যবহার করেও কোনও ভাবেই রেহাই মেলেনি ব্রণর হাত থেকে।
পরোটা খেতে আমরা সবাই খুব ভালোবাসি। পরোটা দিয়ে মাংসের জুড়ি মেলা ভার। আলুর পরোটা, মুলোর পরোটা, মাংসের পরোটা, সবজির পরোটা কতকিছুর পরোটা না আমরা খাই। তবে এসব পরোটা স্বাদে যে অতুলনীয় ত বলা বাহুল্য। কিন্তু একটু স্বাদ বদল তো সকলেরই দরকার। তাই বানিয়ে ফেলুন কলা দিয়ে তৈরি কলার পরোটা।
কলা বারো মাসই পাওয়া যায়। আর এই কলা দিয়ে আমরা সাধারণত কলার বড়া অথবা টিফিনে দুধ কলা দিয়ে মুড়ি মেখে খাই। কিন্তু এই একঘেয়ে দুধ বা কলা না খেয়ে আপনারা কিন্তু মাত্র এই দুটো উপাদান দিয়েই বানিয়ে ফেলতে পারেন একটু অন্য ধরনের এই অনবদ্য রেসিপি। অনেক সময় আমাদের বাড়িতে কলা থাকলে তা সহজেই পেকে যায় বা কালো হয়ে যায় ফলে বাধ্য হয়ে আমরা তা ফেলে দি।
ভারতে বাচ্চারা যখন বড় হয় তাঁদের সাধারনত ভাত, ডাল, ভাতের ফ্যান এসব খেতে দেওয়া হয়। তবে বাচ্চাদের পুষ্টির কথা মাথায় রেখে আপনি বাচ্চাদের কলার গুঁড়োও খাওয়াতে পারেন। এই কলার গুঁড়ো শরীরের পক্ষে খুবই উপকারি।