কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে সন্দেহ করা হচ্ছে, এই স্লোগানগুলো কাশ্মীরের কোনো সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে। তদন্তে এই সংযোগের খোঁজ চলছে। বিশেষ করে, পশ্চিমবঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে দেশবিরোধী কার্যকলাপগুলির ওপর নজর রাখছে কেন্দ্র, বিশেষ করে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে।
তাই এই সমস্ত জঙ্গিরা যাতে কোনোভাবেই ভারতে ঢুকে পড়তে না পারে সেই কারণেই বাংলাদেশী সীমান্তে সমস্ত বর্ডার ইতিমধ্যেই সিল করে দিয়েছে ভারত। এইসবের মধ্যে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই পদক্ষেপ অনেকটাই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
২০১৯ সালে দ্বিতীয়বারের জন্য দেশের ক্ষমতায় এসেই সিএএ কার্যকর করার কথা ঘোষণা করে বিজেপি সরকার। সংসদে পাশ হয় বিলও। চলতি বছর ১১ মার্চ বিজ্ঞপ্তি জারি করার মাধ্যমে সিএএ কার্যকর করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। বিল পাশ হলেও কার্যকর করতে লেগে যায় প্রায় চার বছর। এখনও এই আইন নিয়ে অনেক বিতর্ক রয়েছে।
গতকাল (সোমবার) বিধানসভার বাইরে বেরিয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু বলেন, “এক কোটি শরণার্থী পশ্চিমবঙ্গে আসবে। আপনারা তৈরি থাকুন। আমি তো তৈরি আছি। মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপালকে বলব, কেন্দ্রের সঙ্গে কথা বলুন।” এর পর আজই দিল্লী যান শুভেন্দু অধিকারী।
কট্টর ভারত বিরোধী বলে পরিচিত জামাত। অন্যদিকে কোনওদিনই ভারত বনধু বলে পরিচিত নয় বিএনপি যদি বাংলাদেশের ক্ষমতায় বসে, আর পেছন থেকে কলকাঠি নাড়াতে শুরু করে চিন এবং পাকিস্তান, তাহলে এই পরিস্থিতির মোকাবিলা কীভাবে করবে মোদি সরকার?
এই মুহূর্তে মোদির বয়স ৭৩। পাঁচ বছর পর তাঁর বয়স হবে ৭৮। ভারতের ইতিহাসে এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি বয়সে প্রধানমন্ত্রী হন জনতা দলের মুরারজী দেশাই, ৮১ বছরে। ফলে, চাইলে নরেন্দ্র মোদিও ২০২৯ সালের ভোটে জিতে প্রধানমন্ত্রী হতেই পারেন। কিন্তু, তিনি যদি আর দায়িত্ব না নিতে চান, তাহলে?