চিন-পাকিস্তান-জামাত-বিএনপির জোট? দেশের নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ৪ হাজার ৯৬ কিমি এলাকায় হাই অ্যালার্ট হাই অ্যালার্ট। মেঘালয় সীমান্তে জারি নাইট কার্ফু।

বিজ্ঞাপন
নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে জরুরিকালীন বৈঠকে বসলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ। সূত্রের খবর, বৈঠকের আগে মোদিকে গোটা ঘটনাটি জানিয়েছিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা পর্যালোচনা বৈঠক করেছেন।

অমিত শাহ, রাজনাথ সিং, নির্মলা সীতারমন, এস জয়শঙ্করের মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীরা, প্রধান নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল ছাড়াও ক্যাবিনেট সচিব, বিদেশ সচিব এবং প্রধানমন্ত্রী দফতরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারিরা আছেন বৈঠকে।

পড়শি দেশের উত্তেজনার আঁচ যেকোন মুহুর্তে পড়তে পারে ভারতে। এই কারনে ইতিমধ্যেই সীমান্ত পরিদর্শন করেছেন বিএসএফের ডিজি (BSF DG)। ইন্দো-বাংলাদেশ সীমান্তে সুরক্ষা বাড়িয়ে দিয়েছে বিএসএফ। বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ৪ হাজার ৯৬ কিমি এলাকায় হাই অ্যালার্ট হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। দেশত্যাগ করে হাসিনা এখন ভারতেই আশ্রয় নিয়েছেন, সেনার দখলে বাংলাদেশ। প্রতিটি বিষয়ে কড়া নজর রাখছে ভারত।

প্রতিবেশী দেশের এই পরিস্থিতিতে, ভারতের জন্য় কতটা চিন্তার, সেই প্রশ্ন উঠছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পালাবদলের ফলে, বাংলাদেশে চিনের প্রভাব বাড়তে পারে। আর সেটা যদি হয় তাহলে তা ভারতের পক্ষে উদ্বেগের বিষয়। কারন একমাত্র শেখ হাসিনার বাংলাদেশ ভারতের দিকে ছিল। চিন সেভাবে তাদের কব্জায় আনতে পারেনি। এবার হাসিনার প্রস্থানের ফলে কি চিনের থাবায় চলে আসবে বাংলাদেশও?

তবে শুধু চিন নয়, কট্টর ভারত বিরোধী বলে পরিচিত জামাত। অন্যদিকে কোনওদিনই ভারত বনধু বলে পরিচিত নয় বিএনপি যদি বাংলাদেশের ক্ষমতায় বসে, আর পেছন থেকে কলকাঠি নাড়াতে শুরু করে চিন এবং পাকিস্তান, তাহলে এই পরিস্থিতির মোকাবিলা কীভাবে করবে মোদি সরকার? সেটাই লাখ টাকার প্রশ্ন এখন।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

বিজ্ঞাপন

আরও খবর