পঞ্চায়েত নির্বাচনের দুদিন বাকি। অন্তিম পর্বের প্রচার চলছে। রাজনৈতিক দলগুলির জোরদার লড়াই করতে ময়দানে নেমে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে শাসক দলে বড় ভাঙন। ভোটের মুখেই তৃণমূল ছাড়লেন প্রায় ৬০০ জন কর্মী। বুধবার মুর্শিদাবাদে ঘাসফুল ছেড়ে হাত শিবিরে যোগদান করেন তৃণমূল নেতা ও তাঁর কয়েকশো অনুগামীরা।
আগামী শনিবার রাজ্যে বহু প্রতীক্ষিত পঞ্চায়েত ভোট। মাত্র এক দফাতেই ভোট হবে। কিন্তু রাজ্য নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই সরব হয়েছে বিরোধী দলগুলি। আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি আগেই দফা বাড়ানোর দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন। এবার তাঁর পথে হেটেই একই দাবিতে সোমবার ভোটের মাত্র পাঁচদিন আগে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী।
"রাহুল গান্ধি পটনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাশে বসিয়ে বলছে এক সাথে চলব। আর এখানে, তাদের নেতা শুভেন্দু অধিকারীর সুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করছে৷ অধীর চৌধুরী বিজেপির সবচেয়ে বড় এজেন্ট৷" পাটনার বিরোধী বৈঠকের প্রসঙ্গ টেনে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীকে 'বিজেপির এজেন্ট' বলেও কটাক্ষ করেন তিনি।
"সঠিক ও সুষ্ঠুভাবে ভোট হলেই তো বাংলা থেকে তৃণমূল সাফ হয়ে যাবে। ভোটে হেরে যাওয়ার ভয়ে-আতঙ্কেই কংগ্রেস কর্মীদের উপর হামলা শুরু করেছে তৃণমূলের লোকজন।" শনিবার মুর্শিদাবাদের কান্দির খড়গ্রামে পৌঁছে নিহতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করার পর ঠিক এইভাবেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী।
পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়েও অভিষেককে বিঁধেছেন অধীর চৌধুরী। তিনি বলেন, "কমিশনের অফিস থেকে নয়, খোকাবাবুর অফিস থেকে ভোট পরিচালনা করা হবে। খোকাবাবুর অফিস থেকে যে নির্দেশ আসবে সেইমত কাজ করবে নির্বাচন কমিশন।"