নজরবন্দি ব্যুরো: “সঠিক ও সুষ্ঠুভাবে ভোট হলেই তো বাংলা থেকে তৃণমূল সাফ হয়ে যাবে। ভোটে হেরে যাওয়ার ভয়ে-আতঙ্কেই কংগ্রেস কর্মীদের উপর হামলা শুরু করেছে তৃণমূলের লোকজন।” শনিবার মুর্শিদাবাদের কান্দির খড়গ্রামে পৌঁছে নিহতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করার পর ঠিক এইভাবেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী।
আরও পড়ুন: Panchayet Election: মনোনয়নে অশান্তির জের! রিপোর্ট তলব নির্বাচন কমিশনের
প্রসঙ্গত, মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার প্রথম দিনই খড়গ্রামে খুন হয় কংগ্রেস কর্মী। রাতের অন্ধকারে বাঁশ, লাঠি, লোহার রড নিয়ে এলোপাথাড়ি হামলা চালানোর অভিযোগ উঠে। এরপরেই দুষ্কৃতীদের হামলায় রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন কংগ্রেস কর্মী। তারপরেই দুষ্কৃতীরা কংগ্রেস কর্মীর ওপর গুলি চালায়। পাশাপাশি এই এলোপাথাড়ি গুলিতে জখম হন ওই কংগ্রেস কর্মীসহ বেশ কয়েকজন। এরপরেই স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এলে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়।

এরপর রক্তাক্ত অবস্থায় আহতদের উদ্ধার করে কান্দি মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই ফুলচাঁদ শেখ নামে ওই কংগ্রেস কর্মীকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন মোট আট জন। বর্তমানে একজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আর বাকি ছ’জনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পরে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ইতমধ্যেই এই ঘটনার জেরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বাংলা।

এদিন মুর্শিদাবাদের কান্দির খড়গ্রামে পৌঁছে অধীর বলেন, “একমাত্র বাম-কংগ্রেসই এক হয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সঙ্ঘবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার ক্ষমতা রাখে। আর এই কারণেই এখন এত হামলা! তবে আক্রমণ হলে পাল্টা হামলাও হবে। তাতে যা ঘটনা ঘটবে তার জন্য দায়ী থাকবে পুলিশ আর পুলিশমন্ত্রী। এখন এখানে পুলিশ নিহত কংগ্রেস কর্মীর পরিবারের সঙ্গে এমন আচরণ করছে, যেন তাঁরাই খুনি। আর যারা খুন করেছে, তাঁদের পুলিশ লুকিয়ে থাকতে সাহায্য করেছে। সময়ে সময়ে খুনিদের কাছে খাবার পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এটাই তো তৃণমূল সরকার।”
Panchayat-এ হেরে যাওয়ার ভয়ে খুন করছে তৃণমূল, দাবি অধীরের




