নজরবন্দি ব্যুরো: আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন! ইতিমধ্যেই পঞ্চায়েতের দিনক্ষণ ঘোষণা হতেই ময়দানে নেমে পড়েছে রাজনৈতিক দলগুলি। আর এই মুহূর্তে নির্বাচন ঘোষণা হতেই রাজ্য জুড়ে একের পর এক অভিযোগ উঠে আসছে। মনোনয়নের প্রথম দিনই থেকেই রাজ্যের একাধিক প্রান্ত থেকে এসেছে অশান্তির খবর। ইতিমধ্যেই ডোমকল, খড়গ্রাম-সহ একাধিক জায়গায় গন্ডগোলের ছবি প্রকাশ্যে এসেছে! এহেন পরিস্থিতিতে বাংলাজুড়ে অশান্তির রিপোর্ট তলব করল নির্বাচন কমিশন।
আরও পড়ুন: Weather Update: অবশেষে মিলল স্বস্তি! আজও এই জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টি! কোথায় কত বর্ষণ হবে?


অন্যদিকে, খুনের ঘটনায় ভোটের সময় কোনও ভাবেই রাজ্য পুলিশের উপর ভরসা রাখতে পারছে না কংগ্রেস! তাই এবার এপ্রসঙ্গে সরাসরি রাজ্যপালের কাছে আর্জি জানিয়ে চিঠি পাঠালেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী। চিঠিতে লেখন, “বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে জঙ্গলের রাজ চলছে। জঙ্গলের দানবের মতো শাসক দলের আশ্রিতরা বিরোধী দলের কর্মীদের উপর আক্রমণ করছে। রাজ্যের জুড়ে অরাজকতার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বাংলায় এখন গণতন্ত্রের প্রাথমিক শর্তগুলিই কবরে চাপা পড়ে গিয়েছে। এমন অবস্থায় রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন কোনও ভাবে শান্তিপূর্ণ ভাবে হবে না। সেই কারণেই কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়েই নির্বাচন করানো বন্দোবস্ত করা হোক।”

সূত্রের খবর, শনিবার ডোমকল,খড়গ্রাম-সহ একাধিক জায়গায় অশান্তির ছবি সামনে এসেছে। আর তারপরেই জেলাশাসকদের থেকে রিপোর্ট তলব করল নির্বাচন কমিশন। কেন মনোনয়ন জমা দিতে পারছেন না প্রার্থীরা? তাছাড়াও বোমা ও অস্ত্র উদ্ধারের ব্যাপারেও জেলাগুলিকে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রথমদিনে কংগ্রেস কর্মী খুনের ঘটনায় কমিশন আরও বেশি উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছে।



প্রসঙ্গত, প্রথম থেকেই প্রশ্ন উঠছিল যে, বাংলায় কবে হবে পঞ্চায়েত ভোট? তা নিয়ে নানান জল্পনা শুরু হয়েছিল। অন্যদিকে নতুন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার কে হবে তা নিয়েও রাজ্য ও রাজ্যপালের মধ্যে একটা সংঘাত লেগেই ছিল। যদিওবা অবশেষে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার পদের দায়িত্ব নিয়েছেন রাজীব সিনহা। যেহেতু আগের দুই বার অর্থাৎ ২০১৩ ও ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত ভোটে বাংলাজুড়ে হিংসা মারাত্মক রুপ ধারণ করেছিল। যার জেরে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিরোধী দলগুলি। গত দু’বারের ভোটের থেকে শিক্ষা নিয়ে এবারে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে কয়েক দফায় পঞ্চায়েত করানোর দাবি তুলে ছিল বিরোধী দলগুলি। কিন্তু সেই দাবি কী মানা হবে? যদিওবা কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্য পুলিশই ভোটে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে। তাছাড়াও এক দফাতেই হতে পারে আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন।
মনোনয়নে অশান্তির জের,জেলাশাসকদের থেকে রিপোর্ট তলব কমিশনের








