গত ১০ মার্চ ব্রিগেডে রায়গঞ্জের প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণার পরই কৃষ্ণ কল্যাণী জানিয়েছিলেন, মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগেই তিনি সব পদ থেকে ইস্তফা দেবেন। সেইমতই এদিন বিধায়ক ও পিএসির চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি।
ডায়মন্ড হারবারের দু'বারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১৪ সালে ৭১ হাজারের বেশি ভোটে জেতেন তিনি। ২০১৯ সালে সেই ভোট ব্যবধান ছাড়িয়ে যায় ৩ লক্ষেরও বেশি-তে। তা সত্ত্বেও আসন্ন লোকসভার আগে কিছুটা কপালে ভাঁজ অভিষেকের।
সম্প্রতি বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা বর্ধমান দুর্গাপুরের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) ব্যক্তিগত আক্রমণ করেন। মঙ্গলবার সকালে নির্বাচনী কেন্দ্রে প্রচারে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলা নিজের ভাইপোকে চায়।
বসিরহাটের অন্তর্গত সন্দেশখালিকাণ্ডে সাংসদকে পাশে না পাওয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছিল এলাকাবাসীরা। অন্যদিকে মিমি চক্রবর্তী নিজেই সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে রাজনীতি থেকে সরে আসতে চেয়েছিলেন।
ডায়মন্ড হারবারের অন্তর্গত সাত বিধানসভা কেন্দ্রের নেতৃত্বের সঙ্গে আলাদা আলাদা বৈঠক করবেন বলে খবর। এর মাধ্যমে আসন্ন নির্বাচনের ব্লু প্রিন্ট নেবেন অভিষেক, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
তারকা প্রার্থীদের মধ্যে নাম রয়েছে ঘাটালের তৃণমূল প্রার্থী দীপক অধিকারী ওরফে দেব (Dev), বীরভূমের প্রার্থী শতাব্দী রায়, যাদবপুরের প্রার্থী সায়নী ঘোষ, বহরমপুরের প্রার্থী প্রাক্তন ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠান, হুগলীর তৃণমূল প্রার্থী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Rachana Banerjee)। সব মিলিয়ে মোট ৪০ জনের নাম প্রকাশ করা হয়েছে।
রবিবার আরও এক দফায় বাংলার ১৯ আসনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে বিজেপি। সেখানেও নাম ছিল না আসানসোলের। ফলে জল্পনা আরও বাড়ছে। সূত্রে খবর, আসানসোলের প্রাক্তন মেয়র ও বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে এই কেন্দ্রে প্রার্থী করতে পারে বিজেপি