একজন আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের তৃণমূল প্রার্থী, অন্য দুজন তৃণমূলের বিদায়ী সাংসদ। তবে প্রত্যেকেই বিনোদন জগৎ থেকে রাজনীতিতে পা রেখেছে। কথা হচ্ছে, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, মিমি চক্রবর্তী ও নুসরত জাহানকে নিয়ে। এই মুহূর্তে ভোট প্রচারে ব্যস্ত ‘দিদি নং ওয়ান’। অন্যদিকে টিকিট পাননি নুসরত-মিমি। দুই বিদায়ী সাংসদের কাছ থেকে কোনও টিপস নেবেন কি? উত্তরে অভিমানের ঝলক পাওয়া গেল তারকা প্রার্থী রচনার (Rachana Banerjee) গলায়।



আরও পড়ুন: আজ থেকেই ডায়মন্ড হারবারে নির্বাচনী তোড়জোড়, ৭ বিধানসভায় ম্যারাথন বৈঠকে অভিষেক
চলতি বছর লোকসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকায় একাধিক চমক দিয়েছে শাসক দল তৃণমূল। তার মধ্যেই একটি হুগলী। এই লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছে অভিনেত্রী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই প্রচার শুরু করে দিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মিমি চক্রবর্তী (Mimi Chakraborty) ও নুসরত জাহান (Nusrat Jahan)– তৃণমূলের দুই বিদায়ী সাংসদকে নিয়ে মন্তব্য করেন। তিনজনেই বিনোদন জগতের সঙ্গে যুক্ত। রচনার শো’তে তাঁদের একাধিকবার দেখা গিয়েছিল। ভোটের ময়দানে নামার আগে মিমি-নুসরতের থেকে কি কোনও টিপস নিয়েছে রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়? এই প্রশ্নের উত্তরে কী জানালেন তিনি।

হুগলীর তারকা প্রার্থী জানান, ‘২০১১ সালের আগে থেকে আমি মমতা বন্দপাধায়কে। রাজনীতিতে হয়তো এখন এসেছি, কিন্তু পরিচয় অনেক দিনের। দিদি আমাকে তাঁর পাশে চেয়েছেন এটাই বড় কথা আমার জন্য।’ তিনি আরও বলেন, ‘ইন্ডাস্ট্রির সকলেই আমার বন্ধু। কিন্তু তাঁদের (মিমি-নুসরত) সঙ্গে কখনও সামনাসামনি দেখা হলে জিজ্ঞেস করব দিদির সঙ্গে কেন নেই? ওদের চিন্তাভাবনা আমার সঙ্গে নাও মিলতে পারে। রাজনীতিতে আসব কি না সেবিষয়ে ওঁদের থেকে পরামর্শ নেওয়ার প্রয়োজন বোধ করি না।’


মিমি-নুসরতের উপর ‘অভিমান’ রচনার! বিদায়ী সাংসদদের থেকে পরামর্শ নিতেও নারাজ তৃণমূল প্রার্থী

২০১৯ সালে মিমি চক্রবর্তীকে যাদবপুর এবং নুসরত জাহানকে বসিরহাট কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দুজনেই বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন। নুসরতকে নিয়ে একাধিক বিতর্ক রয়েছে। বসিরহাটের অন্তর্গত সন্দেশখালিকাণ্ডে সাংসদকে পাশে না পাওয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছিল এলাকাবাসীরা। অন্যদিকে মিমি চক্রবর্তী নিজেই সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে রাজনীতি থেকে সরে আসতে চেয়েছিলেন। গত ১০ মার্চ ব্রিগেডে তৃণমূলের প্রার্থী ঘোষণা হলে দেখা যায় মিমি বা নুসরত কাউকেই টিকিট দেয়নি তৃণমূল।







