নওশাদ আইএসএফের চেয়ারম্যান, বর্তমান বঙ্গ রাজনীতির ময়দানে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ, ২০২১-এর নির্বাচনে চারিদিকে যখন তৃণমূল-বিজেপির মধ্যে লড়াই সীমাবদ্ধ সেখানে দাঁড়িয়ে অন্যতম বিরোধী হিসেবে ভাঙড় বিধানসভা কেন্দ্রে শাসক দল তৃণমূলকে হারিয়ে জয়লাভ করেন আইএসএফ প্রার্থী নওশাদ সিদ্দিকি।
গত ১০ মার্চ ব্রিগেডে তৃণমূলের জনগর্জন সভা থেকে ৪২ আসনের প্রার্থীতালিকা ঘোষণা করা হয়। প্রত্যাশা মতই ডায়মন্ড হারবার থেকে প্রার্থী হন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)।
একটি প্রথম সারির টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নওশাদ সাফ জানালেন, "আমি ডায়মন্ড হারবারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে প্রস্তুত। কিন্তু আমি তো এই সিদ্ধান্ত একা নিতে পারি না। দল যা সিদ্ধান্ত নেবে সেটাই হবে। আমার নাম রিজার্ভে রয়েছে। আশা করছি আগামী দু-তিন দিনের মধ্যে সবাই সবটা জানতে পারবে।"
ডায়মন্ড হারবারে দিন কয়েক আগেই দলীয় সভা থেকে কর্মীদের 'কড়া' বার্তা দেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আগের ভোটে কেন আইএসএফ ও বিজেপি কিছু ওয়ার্ডে বেশি লিড পেল তা নিয়ে 'অসন্তোষ' প্রকাশ করেন তিনি।
লোকসভা নির্বাচনের পাশাপাশি বাংলার দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচন রয়েছে। বরানগর ও ভগবানগোলায় খালি থাকা বিধায়কের আসন ভরতে ভোটগ্রহণ হবে। শোনা যাচ্ছে, রাজ্যের মন্ত্রী তথা কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে একটি কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করতে পারে তৃণমূল।
অভিষেকের টুইটের পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছে রাজ্য বিজেপি। তাঁদের কথায়, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলা হলে তিনি কি শ্বেতপত্র প্রকাশ করবেন? রাজ্য সরকার একথা কেন্দ্র সরকারকে বলতে পারে না! বিজেপির কটাক্ষ, তৃণমূল রাজনৈতিক ইস্যুহীনতায় ভুগছে।
দোলের দিন এক মদ্যপ ব্যক্তি অনুষ্ঠান মঞ্চে উঠতে গেলে তাঁকে বাধা দেয় স্থানীয় তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যের ছেলে কৌশিক জানা। গত বুধবার রাতে রাগের বশে কৌশিকের উপর চড়াও হয় সেইদিনের মদ্যপ ব্যক্তি নবকুমার নস্কর।