প্রথম থেকেই জল্পনা চলছে, ডায়মন্ড হারবারে তৃণমূল সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সিপিআইএম-কংগ্রেস-আইএসএফ সমর্থিত প্রার্থী হতে পারেন ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী। এমনকি বিজেপি-ও পরোক্ষভাবে আইএসএফ নেতাকে সমর্থন করবে বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। কিন্তু, নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়ে গেলেও ডায়মন্ড হারবারে অভিষেকের বিরুদ্ধে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি বিরোধীরা।
আরও পড়ুন: ISF-কে ‘কড়া’ বার্তা বামফ্রন্টের, আসন সমঝোতা নিয়ে দ্রুত অবস্থান স্পষ্ট করার নির্দেশ!


একটি প্রথম সারির টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নওশাদ সাফ জানালেন, “আমি ডায়মন্ড হারবারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে প্রস্তুত। কিন্তু আমি তো এই সিদ্ধান্ত একা নিতে পারি না। দল যা সিদ্ধান্ত নেবে সেটাই হবে। আমার নাম রিজার্ভে রয়েছে। আশা করছি আগামী দু-তিন দিনের মধ্যে সবাই সবটা জানতে পারবে।”

কিন্তু এই যে ডায়মন্ডে প্রার্থী ঘোষণা নিয়ে এত বিলম্ব, তৃণমূলের তরফে বলা হচ্ছে বিরোধীরা প্রার্থী দিতে ভয় পাচ্ছে। ভয়টা অভিষেকের কাছে হারের। এ প্রসঙ্গে নওশাদ বলেন, “কিসের ভয়! ভোটে জেতা-হারা রয়েছে। আমি বিধানসভার ভিতরে-বাইরে তৃণমূলের দুর্নীতির বিরোধিতা করছি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলছি। ভয়ের কোনও জায়গা নেই।”



ডায়মন্ডে অভিষেকের বিরুদ্ধে কি তিনিই প্রার্থী? নওশাদ বললেন, আমি প্রস্তুত!
অন্যদিকে, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে একসঙ্গেই লড়বে সিপিআইএম-কংগ্রেস-আইএসএফ। কিন্তু, দিনের পর দিন চলে গেলেও এখনও কাটল না আসন সমঝোতা নিয়ে ধোঁয়াশা। এবার নওশাদ সিদ্দিকীর দলকে চাপে রাখতে কড়া বার্তা দিল বামফ্রন্ট। শুক্রবারের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে আইএসএফ-কে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করা নির্দেশ দিল আলিমুদ্দিন।

বসিরহাট ও বারাসাত কেন্দ্র দু’টি নওশাদ সিদ্দিকীদের ছাড়া হতে পারে এমনটাই সূত্রের খবর। কারণ, বিগত নির্বাচনগুলিতে এই কেন্দ্রে আইএসএফ-এর ভোট পরিসংখ্যান বেশ চোখে পড়ার মতো।







