আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে একসঙ্গেই লড়বে সিপিআইএম-কংগ্রেস-আইএসএফ। কিন্তু, দিনের পর দিন চলে গেলেও এখনও কাটল না আসন সমঝোতা নিয়ে ধোঁয়াশা। এবার নওশাদ সিদ্দিকীর দলকে চাপে রাখতে কড়া বার্তা দিল বামফ্রন্ট। শুক্রবারের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে আইএসএফ-কে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করা নির্দেশ দিল আলিমুদ্দিন।
আরও পড়ুন: মুকুলের বাড়ি গিয়ে আশীর্বাদ নিলেন অর্জুন, চাণক্য-মন্ত্রেই ফের বাজিমাত ব্যারাকপুরে?


বৃহস্পতিবার আলিমুদ্দিনে একটি বৈঠকে বসেন বামেরা। সেখানে ডাকা হয় সিপিআই-এর শীর্ষনেতৃত্বদের। কংগ্রেস ও আইএসএফ-কে আসন ছাড়তে গিয়ে শরিকি দলগুলির সঙ্গে ‘বোঝাপড়া’ যেন না নষ্ট হয় তা নিশ্চিত করতেই এদিন আলোচনা হয়। সেখানেই উঠে আসে আইএসএফ প্রসঙ্গ।

দ্দুই দফা মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত ২১ আসনে প্রার্থী দিয়েছে বামফ্রন্ট। যার মধ্যে শরিক দলগুলিকেও টিকিট দেওয়া হয়েছে। কংগ্রেসকে ১০টি আসন ছাড়তে প্রস্তুত বামেরা। কিন্তু, আইএসএফ কোন কোন কেন্দ্রে তাদের প্রার্থী দেবে এবং তা দিলে জোট কতখানি উপকৃত হবে তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলেই মনে করছেন পলিটব্যুরোর এক সদস্য।



বসিরহাট ও বারাসাত কেন্দ্র দু’টি নওশাদ সিদ্দিকীদের ছাড়া হতে পারে এমনটাই সূত্রের খবর। কারণ, বিগত নির্বাচনগুলিতে এই কেন্দ্রে আইএসএফ-এর ভোট পরিসংখ্যান বেশ চোখে পড়ার মতো। পাশাপাশি, ডায়মন্ড হারবারে যৌথভাবে প্রার্থী দেবে সিপিআইএম-কংগ্রেস-আইএসএফ।
ISF-কে ‘কড়া’ বার্তা বামফ্রন্টের, আসন সমঝোতা নিয়ে দ্রুত অবস্থান স্পষ্ট করার নির্দেশ!

বিজেপি এবং তৃণমূলকে হারাতে বাকী সকলের ‘সঙ্গে’ থাকার মনোভাবের এগোচ্ছে বামফ্রন্ট। কিন্তু, আসন সমঝোতা নিশ্চিত না হলে শরিক দলগুলি ‘মুখভার’ করে থাকতে পারে। বারাসাত কেন্দ্রে যেমন ফরোয়ার্ড ব্লক দীর্ঘদিন ধরে সংগঠন চালিয়ে আসছে। ঠিক সেরকমই পুরুলিয়া। সেখানে আবার কংগ্রেস নিজেদের প্রার্থী দিতে চায়। শুক্রবারের মধ্যে আসন সমঝোতার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়ে যাবে বলে মনে করছে বামফ্রন্ট।







