২০১৪ সালের টেট পরীক্ষায় নিয়োগ পাওয়া ওই শিক্ষকদের আগামী চার মাসের মধ্যে চাকরি ছাড়তে হবে, এমনটাই জানিয়ে ৩২ হাজার অপ্রশিক্ষিত শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দেন বিচারপতি। এর আগে কখনই নিয়োগ দুর্নীতিতে এত বিপুল পরিমাণ বাতিল হয়নি। যার জেরে নতুন করে শোরগোল ছড়িয়েছিল
পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁকে এই মামলা থেকে সরানো হলে বিচারপতি অমৃতা সিনহা। সিঙ্গেল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায় রাজ্য। সেখানেই বড় ধাক্কা! হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের তরফে জানানো হয় এই মামলা বেঞ্চের বিচার্য বিষয় অর্থাৎ রোস্টারে নেই। এই যুক্তিতে মামলা গ্রহণ করেনি আদালত।
সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এই কেস আবার ডিভিশন বেঞ্চে উঠবে। তিনমাসের মধ্যে বোর্ডকে ইন্টারভিউ নিতে হবে। শুধুমাত্র নন-ট্রেন্ডদের জন্য। সিঙ্গেল বেঞ্চের রায় বহাল থাকছে শুধুমাত্র স্যালারিতে স্টে পড়ল।
চাকরিহারাদের আইনজীবী কল্য়াণ বন্দোপাধ্যায় বলেন, বাঙালি মেনুতে শেষ পাতে চাটনি থাকে, এখন কলকাতা হাইকোর্টে দুর্নীতি শব্দটাও চাটনির মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর প্রক্ষিতে বিচারপতি তালুকদার বলেন, চাটনি পরে খাওয়া যাবে, আগে মেনকোর্স শেষ হোক। বুধবার মামলার পরবর্তী শুনানি।
বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় রায় দিয়েছেন, আগামী চার মাস চাকরিচ্যুতরা স্কুলে যেতে পারবেন। বেতন পাবেন প্যারা টিচার হিসাবে। হাই কোর্টের রায়, রাজ্যকে এই তিন মাসের মধ্যে নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করে শেষ করতে হবে।
বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় প্যানেল বাতিল করে ‘ঢাকি সমেত বিসর্জন’-এর হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। জানিয়েছিলেন, ২০১৬ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ার পুরো প্যানেল বাতিল করে দেবেন। তিনি মন্তব্য করেছিলেন, ‘‘আমি ঢাকি সমেত বিসর্জন দিয়ে দেব।’’