সৌমেন নন্দী ও রমেশ মালির করা মামলা বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চ থেকে সরানোর নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু আর কোন কোন মামলা থেকে গেল বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চে?
একজন সাধারন সংবাদকর্মী এবং দেশের দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে আপামর বঙ্গবাসী এবং তৃণমূল ব্যাতীত রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে আবেদন করছি। এই মানুষটির কাছে আবেদন করুন যদি তিনি মুখ্যমন্ত্রীর মুখ হিসেবে নির্বাচন লড়তে রাজি হয়ে যান! শুধু মাথায় রাখবেন এনাকে পার্টি লাইন দিয়ে বাঁধবেন না। কিছু মানুষ আছেন যারা বাঁধনহীন।
শুক্রবার মামলা চলাকালীন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বলেন, যখনই কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে, তখনই বিচারপতিকে আক্রমণ করা হচ্ছে। পেপারওয়েট, হাওয়াই চটি নিয়ে তেড়ে যাচ্ছে। পোস্টার লাগানো হচ্ছে।
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সরাসরি নাম জড়িয়েছে শাসক শিবিরের প্রথম সারীর একাধিক নেতাদের। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম সরাসরি জড়ায়নি৷ কিন্তু ধৃত কুন্তল ঘোষের মুখে তাঁর নাম ওঠার পরেই নতুন করে সমস্যা দেখা দিয়েছিল৷ সেই সমস্যার কারণেই রাজ্য সফর ছেড়ে রেখে সিবিআই তলবের সম্মুখীন হবেন অভিষেক? প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
এই ধরনের মন্তব্য অনভিপ্রেত বলে জানিয়ে অশোকবাবু বলেন, "তদন্ত ঠিক মতো চলছে কিনা, তা দেখা কিংবা মনিটর করার দায়িত্ব বিচারপতির থাকে। যদি সেই তদন্ত হাইকোর্টের নির্দেশে শুরু হয়। এখানে সিবিআই তদন্ত শুরু হয়েছে বিচারপতির নির্দেশে।
এদিন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় আরও বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই চলবে। সুপ্রিম কোর্ট এবং তার বিচারপতিদের ওপর আমার শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস রয়েছে। ভারতের আইন সভ্য আইন৷ সুপ্রিম কোর্টে মামলা রয়েছে৷ কিছুটা হয়তো সময় লাগবে।
ডিপিএসসি-র দাবি ছিল, এক্স সার্ভিসম্যান ক্যাটাগরি, শারীরিক প্রতিবন্ধকতা কোটায় পর্যাপ্ত প্রার্থী পাওয়া যায়নি বলেই ৩২৮ টি শূন্যপদ ফাঁকা রাখা হয়। পরে তা নিয়ে মামলা হয়। আজ হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী তালিকা প্রস্তুত করবে ডিপিএসসি। সেই তালিকা পাঠানো হবে পর্ষদে।