নজরবন্দি ব্যুরো: রেশন বন্টন মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের হাতে গ্রেফতার হলেন রাজ্যের বনমন্ত্রী তথা প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। বৃহস্পতিবার তাঁর সল্টলেকের বাসভবনে কুড়ি ঘন্টারও বেশি সময় ধরে ম্যারাথন তল্লাশি এবং জিজ্ঞাসাবাদের পর গভীর রাতে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। আর জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক গ্রেফতার পর রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার কিন্তু একটি ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করে রাখলেন। তাঁর মতে, কান টানলে একদিন মাথা আসবেই!
আরও পড়ুনঃ অবশেষে গৃহবন্দি দশা কাটিয়ে বাইরে বেরোবেন মমতা, উদ্দেশ্য পুজো কার্নিভালে যোগদান


জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের গ্রেফতারির প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের গ্রেফতার তো সময়ের অপেক্ষা ছিল। যে পরিমাণ সম্পত্তি বাকিবুরের পাওয়া গেছে সেই সম্পত্তির উৎস কী? যে পরিমাণ সম্পত্তি পাওয়া গিয়েছে সেটা তো সম্পত্তি নয়, বরং রাজত্ব বলা ভালো। সেই সম্পত্তি বা রাজত্ব আসলে কার? কার সম্পত্তি বাকিবুরের নামে আছে? এর তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। আমরা এর আগেও জ্যোতিপ্রিয়ের বিরুদ্ধে চাল চুরির অভিযোগ পেয়েছি।’’

সঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘‘আমরা বুঝতে পারি না এঁরা কী ধরনের চাকরি বা ব্যবসা করেন যে, এত কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক এত দ্রুত হয়ে যান। ছ’কোটি টাকার বাংলো তিনি কিনেছিলেন। আর এঁরাই গরিব মানুষের ১০০ দিনের কাজের কথা টাকার কথা বলেন। আমার তো মনে হয় এঁদের যা টাকা জমানো আছে সেই টাকা দিয়েই গরিব মানুষের সমস্ত টাকা মিটিয়ে দেওয়ার যেতে পারে। ১০০ দিনের প্রকল্পের যত টাকা সব এঁদের একাউন্টে ঢুকেছে বলে আমার অনুমান। এঁরাই চুরি করেছেন ১০০ দিনের টাকা। বোঝাই যাচ্ছে যত চোর হচ্ছে তত চোরের রানির ছটফটানি বাড়ছে। এখন কান এসেছে পরে মাথাও আসবে।’’



কান কাটলে মাথা আসবেই! জ্যোতিপ্রিয়ের গ্রেফতারিতে বিস্ফোরক সুকান্ত
রেশন দুর্নীতি মামলায় প্রথমে গ্রেফতার হন বাকিবুর রহমান। সেই সূত্রেই উঠে আসে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের নাম। ইডি সূত্রে খবর, মন্ত্রীর বাড়ি থেকে রেশন বণ্টন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র মিলেছে। এখন বাকিবুর রহমান ও জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে কেন্দ্রীয় এজেন্সির গোয়েন্দারা। আর স্বাভাবিকভাবেই রাজ্যের মন্ত্রীর গ্রেফতারিতে সরব বিরোধী দলের নেতারা।








