নজরবন্দি ব্যুরোঃ ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনের পর রাজ্য সভাপতি বিরাট বদল আনা হয়। সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বে বদলে যায় রাজ্য কমিটি। নয়া কমিটি থেকে বাদ পড়েন দলের পুরাতন নেতারা। যা নিয়ে দলের মধ্যে বিক্ষুব্ধদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়তে শুরু করে। পরে সমস্ত কমিটি ভেঙে দেন সুকান্ত। শনিবার নতুন করে কমিটি গঠন করা হল বিজেপির তরফে। বাদ পড়া নেতাদের ফেরালেন সুকান্ত মজুমদার। নতুন কমিটিতে জায়গা পেলেন পদ হারানো অনেক বিজেপি নেতারাই।
আরও পড়ুনঃ Sourav Ganguly: ও প্রচণ্ড পরিশ্রম করে, কার সম্পর্কে বললেন সৌরভ?


উল্লেখ্য, ২১ এর ভূল শোধরাতে একেবারে খলনলচে বদলে ফেলেছিল বিজেপি। বদল করা হয়েছিল জেলা সভাপতি পদেও। যা নিয়ে ক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিজেপির বিধায়করা। সামাল দিতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয়েছে রাজ্য নেতাদের। ক্ষোভের জেরে অনেকেই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন জয়প্রকাশ মজুমদার সহ অন্যান্য নেতারাও। তাই নতুন করে কমিটি গঠন করে পুরাতনদের গুরুত্ব বুঝিয়ে দিল বিজেপি নেতৃত্ব।

প্রথমবার বাদ পড়েছিলেন প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়, সায়ন্তন বসুরা। নতুন করে তৈরি সংগ্রহ কমিটির প্রধান হিসাবে নিয়গ করা হয়েছে প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দায়িত্ব পেয়েছেন রায়গঞ্জের সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী। জায়গা পেয়েছেন বিশ্বপ্রিয় রায়চৌধুরী, তুষার মুখ্যোপাধ্যায়রা। সদস্য সংগ্রহ কমিটির মাহায় বসানো হয়েছে রথীন্দ্র বসুকে।


নতুন কমিটতে জায়গা পেয়েছেন জ্যোতির্ময় মাহাতো, জগন্নাথ সরকার এবং বিধায়ক মিহির গোস্বামীরা। নতুন করে গঠন করা হয়েছে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ। সেই কমিটির দায়িত্বে রয়েছেন রজত ভরদ্বাজ মুখ্যোপাধ্যায়।
বাদ পড়া নেতাদের ফেরালেন সুকান্ত, বদলে গেল খোলনলচে

২০২১ এর নির্বাচনে নীলবাড়ি দখল করতে পারেনি বিজেপি। তাই দলের ড্যামেজ কন্ট্রোল করে একাধিক ইস্যতে শাসক দলের বিরুদ্ধে সুর চড়াতে চাইছে তাঁরা। বিরোধী দল হিসাবে রাজ্যের একাধিক ঘটনাবলীতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে দেখা যাচ্ছে বিজেপিকে। তবে ২৪ এর ব্লু প্রিন্ট এখন থেকেই সাজাতে চাইছে গেরুয়া শিবির? প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলের।







